বাংলা হান্ট ডেস্ক: রেলযাত্রীদের (Indian Railways) জন্য একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, ভারতীয় রেল আগামী ১০ অক্টোবর ভোর ৪ টা থেকে দুপুর ২ টোর মধ্যে নয়াদিল্লি (New Delhi) এবং হযরত নিজামুদ্দিন রেল স্টেশনে আসা সমস্ত মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করেছে। জানিয়ে রাখি যে, দিল্লিতে ১০ অক্টোবরের নির্ধারিত বিক্ষোভের কারণে রেল কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি, রেল কর্তৃপক্ষ টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে যাত্রীদের বিষয়টি জানাচ্ছে। রেলের মতে, প্রতিদিন এই দু’টি স্টেশনের মধ্যে প্রায় ৭৫,০০০ যাত্রী (Passengers) যাতায়াত করেন। এখন প্রশ্ন হল ট্রেন বাতিল হলে কীভাবে টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে এবং এর প্রক্রিয়াটি কী? উল্লেখ্য যে, রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেন সম্পূর্ণভাবে বাতিল করলে, যাত্রীরা তাঁদের টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত পান। এই ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত কোনও ক্যান্সেলেশন ফি বা ক্লার্কেজ চার্জ কাটা হয় না। তবে, টাকা ফেরত পাওয়ার পদ্ধতি নির্ভর করে টিকিটটি অনলাইনে বুক করা হয়েছিল নাকি রেল স্টেশনের কাউন্টার থেকে কেনা হয়েছিল, তার ওপর।
দিল্লিতে বিক্ষোভের কারণে বাতিল বহু ট্রেন (Indian Railways):
১. কাউন্টার থেকে কেনা টিকিটের রিফান্ড: আপনি যদি রেল স্টেশনের রিজার্ভেশন কাউন্টার থেকে আপনার টিকিট কিনে থাকেন, তবে মূল্য ফেরত পাওয়ার জন্য আপনাকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী রেল কাউন্টারে টিকিটটি জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ বাতিল হওয়া ট্রেনের টিকিটের মূল্য ফেরত পেতে হলে, সাধারণত ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টিকিটটি জমা দিতে হয়। এরপর নিয়ম অনুযায়ী টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

২. কীভাবে অনলাইন ই-টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া যায়: যদি আপনি IRCTC ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করে থাকেন এবং ট্রেনটি সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আপনাকে টিকিটটি বাতিল করতে বা আলাদাভাবে টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করতে হবে না। রেল ব্যবস্থায় টিকিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায় এবং টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হয়। টিকিট বুক করার জন্য ব্যবহৃত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড বা UPI-র মাধ্যমে সাধারণত রিফান্ডের টাকা জমা করা হয়। রিফান্ড আসতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। তবে, প্রকৃত সময় নির্ভর করে অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি এবং রেলের প্রক্রিয়ার ওপর।
আরও পড়ুন: ভারতের কাছে পরাজয়ের ভয়? এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবে না পাকিস্তান, সুযোগ পেল বাংলাদেশ
৩. ট্রেন আংশিকভাবে বাতিল বা রুট পরিবর্তন করা হলে কী করণীয়: যদি কোনও ট্রেনের রুট পরিবর্তন করা হয় বা কোনও মধ্যবর্তী স্টেশনে থামানো হয়, বা সেটির রুটের একটি অংশ বাতিল করা হয়, তাহলে টাকা ফেরতের প্রক্রিয়াটি ভিন্ন হতে পারে। এই ধরনের ক্ষেত্রে, যোগ্যতা এবং প্রযোজ্য নিয়মাবলির ওপর নির্ভর করে অনলাইন টিকিটের জন্য একটি TDR (ট্রেড ডকুমেন্ট রিকোয়েস্ট) প্রয়োজন হতে পারে। এটি দাখিল করার সময়সীমা পরিস্থিতি এবং প্রাসঙ্গিক রেলওয়ে নিয়মাবলির ওপর নির্ভর করে। তাই, আবেদন করার আগে IRCTC বা রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রযোজ্য শেষ তারিখটি দেখে নিতে হবে।
আরও পড়ুন: ভুবনেশ্বর কুমারের প্রত্যাবর্তন হলেও কেন সুযোগ পাচ্ছেন না মহম্মদ শামি? কী জানালেন টিম ইন্ডিয়ার কোচ?
এদিকে, ট্রেন বাতিল হওয়া সত্ত্বেও যদি টাকা ফেরত না পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে রেলওয়ে হেল্পলাইন ১৩৯-এ যোগাযোগ করতে পারেন অথবা ‘Rail Madad’ পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।













