মমতা অতীত! ‘নতুন তৃণমূলের’ চেয়ারপার্সন অরূপ রায়, আর কে কোন দায়িত্বে?

Published on:

Published on:

MLA Arup Roy elected as new TMC chief Mamata Banerjee removed from the post
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৈরি হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। এবার তাঁর থেকেই দলের দখল নিয়ে নিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির! মমতাকে সরিয়ে ‘নতুন তৃণমূলের’ চেয়ারপার্সন হাওড়া মধ্য কেন্দ্রের বিধায়ক অরূপ রায় (Arup Roy)। সেই সঙ্গেই ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল সাসপেন্ড করেছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সূত্র মারফৎ এমনটাই জানা গিয়েছে।

বাজেটের পর স্পেশ্যাল বৈঠকে বসে ‘নতুন তৃণমূল’ | (TMC)

সোমবার বাজেটের পর নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে বৈঠকে বসেন ঋতব্রতরা। সেই বৈঠকের ব্যানারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়দের ছবি ছিল না। বরং সেখানে দেখা যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিআর আম্বেদকর ও মহাত্মা গান্ধীর মুখ। যদিও দলের প্রতীক একই ছিল।

আরও পড়ুনঃ ‘ডিম থেরাপি’ থামাতে হাইকোর্টে মামলা তৃণমূলের! শুনানি কবে?

সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এই মেগা বৈঠকে হাওড়া মধ্যর বিধায়ক অরূপকে ‘নতুন তৃণমূলের’ চেয়ারপার্সন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। সর্বসম্মতিক্রমে তাঁর নাম পাশ হয়। ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এককালের বিশ্বস্ত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষকে। এছাড়া ৩০ জনকে নিয়ে তৈরি নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা ও সাবিনা ইয়াসমিন এবং দলের কোষাধ্যক্ষ আখরুজ্জামান।

জানা যাচ্ছে, এদিনের এই মেগা বৈঠকে রাজ্যের তিন জেলার জনপ্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছিলেন। উপস্থিত ছিলেন বীরভূমের কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিজিৎ সিনহা। এছাড়া দমদম, উত্তরপাড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভার বোর্ড ভেঙে যাওয়ায় কাউন্সিলর ও প্রাক্তন কাউন্সিলররা এদিন যোগ দেন।

MLA Arup Roy elected as new TMC chief Mamata Banerjee removed from the post

বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। বর্তমানে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের শিবির। এদিন ঋতব্রতর নেতৃত্বে নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে বিশেষ বৈঠক ডেকেছিল ‘নতুন তৃণমূল’। সেখানেই ‘আসল তৃণমূলের’ চেয়ারপার্সন, নতুন কমিটির ঘোষণার করা হয়। এরপর মমতা শিবির কী পদক্ষেপ নেয় আপাতত সেটা দেখার জন্যই মুখিয়ে রাজনৈতিক মহল।