বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ফের বাংলার মাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। শনিবার একাধিক কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে পৌঁছেছেন তিনি। এদিন তিন জায়গায় সভা করার কথা ছিল তার। পূর্বস্থলী, জঙ্গিপুর ও কুশমন্ডিতে আজ প্রধানমন্ত্রীর সভা। শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো হওয়ার কথা রয়েছে।
তৃণমূলকে নিশানা মোদীর (Narendra Modi)
আজ বাকি দুই সভা শেষে ইতিমধ্যেই কুশমন্ডিতে পৌঁছেছেন নরেন্দ্র মোদী। খাগড়াকুড়ির ময়দানে আয়োজিত সভায় উপস্থিত হয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়ের পর ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। ‘জয় মা কালী’, ‘জয় বাবা ভোলানাথ’ ধ্বনি তুলে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। বক্তব্যের শুরুতেই তৃণমূলকে তোপ দাগেন মোদী।
মঞ্চ থেকেই স্লোগান তোলেন, ‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার’’। তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “এই তৃণমূলের মা-মাটি-মানুষের জন্য কত মিথ্যা বলে ভোটে জিতে ক্ষমতায় বসেছে। এখন দিনরাত আমাদের গালি দেন। মিথ্যা অভিযোগ করেন। ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে কী করেছেন, মানুষকে বলুন না? গত ১৫ বছরে যখন কিচ্ছু করেনি, আরও ৫ বছরে কী করবে? কী উন্নয়ন হয়েছে? এরা ১৫ বছরের কথা বলে না। কারণ, দুর্নীতি, মিথ্যার সব তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে। একটাই মডেল গড়ে তুলেছে ১৫ বছরে। এখানে সিন্ডিকেটই সরকার, সরকারই সিন্ডিকেট। বাংলা ছাড়া কোথাও তৃণমূল নেই। অসম, ত্রিপুরা, গোয়ায় কেউ এদের ভোট দেয় না। কারণ, সেখানে ওদের গুন্ডামি চলে না। এরা একটি জায়গায় পিএইচডি করেছে। গুন্ডামি। ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করার।”
শুধুমাত্র তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়েই থামেননি প্রধানমন্ত্রী। সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেন, “অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বার করা হবে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে আবার বৈভবশালী রাজ্য করবে। তাই আমাদের প্রার্থীদের এখানে হাজির করেছি। বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূলকে ১৫, ৫ বছর মোদীকে দিয়ে দেখুন।”

আরও পড়ুন : নির্বাচনী আবহে কলকাতা জুড়ে তল্লাশিতে উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা ও মাদক
এদিন সভা থেকে মহিলাদের আর্থিক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও প্রতিশ্রুতি দেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘মহিলা কল্যাণ আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে। তাঁদের সুরক্ষা, তাঁদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য সচেষ্ট হব। এখানে মহিলারা যে ভাতা পান, তার ডবল দেব আমরা। সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন মহিলারা।” সমগ্র সভা জুড়ে উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে বিজেপির পক্ষে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন নরেন্দ্র মোদী।













