বাংলা হান্ট ডেস্ক : নির্বাচনী আবহে রাজনৈতিক বক্তব্যের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়, আর সেই প্রেক্ষাপটে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস হয়ে ওঠে মতাদর্শ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজ বিজেপির কাছে তেমনই একটি দিন। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।
প্রতিষ্ঠা দিবসে মোদীর (Narendra Modi) বার্তা
ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আজ ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে দেশের এককালের কংগ্রেস আমলের শাসনব্যবস্থাকে নিশানা করে কটাক্ষ থেকে শুরু করে, আসে বিজেপি শক্তির দেশজুড়ে বিস্তারের প্রসঙ্গ উঠে আসে। পাশাপাশি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ তোলেন মোদী।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজনৈতিক হিংসার ঘাঁটি হিসেবে রূপান্তরিত হচ্ছে। নাম না করেই শাসকদলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন,”আমাদের কর্মীদের ওপর বারবার আক্রমণ হয়েছে, কিন্তু আমরা থামিনি, পিছিয়েও যাইনি। লড়াই চালিয়ে গিয়েছি” দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে, কংগ্রেস আমলের শাসনের নিন্দা করে তিনি দাবি করেন, সেই সময় দেশে একাধিক সমস্যা দেখা গেছিল। মোদীর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশে এমন একটি রাজনৈতিক দল (বিজেপি) প্রতিষ্ঠা পেয়েছে, যা জনসমর্থন অর্জন করেছে তেমনই পেয়েছে ভালোবাসা। দলের এই বিপুল সমর্থনের নেপথ্যে রয়েছে কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিজেপির কর্মীরা দলের আদর্শকে নিজেদের মধ্যে গ্রহণ করেছেন। কর্মীদের কারণেই আজ দল একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মোদীর নিজে সংগঠন শক্তিশালী করতে কর্মীদের ভূমিকাকেই তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।
কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরে মোদী জানিয়েছেন, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল, বিবাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনি সংস্কার, নাগরিকত্ব সংশোধন আইন কার্যকর করা এবং অযোধ্যায় মন্দির নির্মাণ এই সকল বিষয়গুলি অসম্ভব বলে মনে করা হলেও বিজেপি সরকার তা বাস্তবে রূপান্তরিত করেছে।

আরও পড়ুন : কলকাতা পুলিশকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছে শাসকদল, কমিশনে অভিযোগ শুভেন্দুর
ভাষণের শেষে দলের কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশ বছরের দিকে এগিয়ে চলেছে দল। এই পথচলা যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।











