নেপালে ভয়াবহ পরিস্থিতি, ১৫০ ছাড়াল মৃতের সংখ্যা! খোঁজ নেই ৭৫০ জনের

Published on:

Published on:

Nepal Flash Floods number of dead and missing rises
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: তিব্বত সীমান্তবর্তী মধ্য নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Nepal Flash Floods)। এখনো পর্যন্ত অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছে প্রচুর মানুষ জন। দুর্ভাগ্যের বিষয় এই নিখোঁজের মধ্যে রয়েছে ১৩০ জনের বেশি ভারতীয়। তবে এই ভয়াবহ বন্যায় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের রাসুয়া ও ধাবিং জেলা।

নেপাল বিপর্যয়ে বাড়ছে মৃত-নিখোঁজের সংখ্যা (Nepal Flash Floods)

সূত্রের খবর, নেপাল তিব্বত সীমান্তের কাছে একটি শক্তিশালী ভূমি দস থেকেই এই বিপর্যয় সূত্রপাত হয় (Nepal Flash Floods)। মার্কিন ভূতাত্বিক সমীক্ষার সংস্থা তথ্য অনুযায়ী ওই ভূমিধসের ফলেই এমন শক্তিশালী ভূকম্পনে সংকেত তৈরি হয়েছিল। যার মাত্রা ছিল প্রায় ৫.২। যার ফলে ভেসে গিয়েছে রাস্তা ও ব্রিজ। পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে জোর কদমে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে নেপাল সরকার। পাশাপাশি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হিমবাহ ধসে পড়ার ঘটনাও এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।

 Nepal Flash Floods number of dead and missing rises

আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বর জুড়ে ব্যাঙ্কে ছুটি! প্রায় বন্ধ ১৫ দিন, জেনে নিন তারিখ

এছাড়া বিপুল পরিমাণে বরফ, পাথর, কাদা ও জল নেমে এসে লেন্দে খোলা নদীতে প্রবেশ করে। পড়ে সেই জলধারা ভোতে কোশি নদীর সঙ্গে মিশে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি করে। পাশাপাশি এই ঘটনায় নেপালের নদীগুলি জলধারা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। পাশাপাশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে জলধারা গুলি। তবে এই ঘটনায় বহু মানুষ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন এলাকায়।

তাছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ায় উদ্ধার কাজও কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে। নিখোঁজদের মধ্যে ১৩৩ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যাদের মধ্যে অনেকেই কৈলাস মানপ সরোবর যাত্রার পথে ছিলেন। এবং দুর্গম পাহাড়ে এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই দুর্ঘটনায় মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া উদ্ধার কাজে নেমেছে নেপালের সেনা সহ সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ও সাধারণ মানুষ। দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছে হতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।

পাশাপাশি নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধার ও সন্ধানের পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা পাঠানো ও নেপাল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে চলেছে। একই সঙ্গে নেপালি থেকে নেমে আসা জলের কারণে ভারতের বিহারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নেপাল থেকে আসা বন্যার জল গণ্ডক নদীতে পৌঁছানোই সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে (Nepal Flash Floods)।