বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। সোমবার ছিল তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিন। আজকের এই বিশেষ দিনে কলকাতায় যুবসংবাদ সম্মেলন কর্মসূচিতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সেখানেই এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাথেই উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) থেকে শুরু করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য (Shamik Bhattacharya)। হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-ও।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ নিতিন নবীন
এদিন ভরা মঞ্চ থেকেই সকলের সামনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে দরাজ সার্টিফিকেট দেওয়ার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের খেলাধুলা সম্পর্কেও বড় মন্তব্য করতে শোনা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন নবীনকে। ওয়ার্ল্ড কাপের প্রসঙ্গ তুলে ভারত ব্রাজিল ফ্রেন্ডলি ম্যাচ সম্পর্কে এদিন তিনি বললেন, ‘কিছুদিন আগেই ওয়ার্ল্ড কাপ সম্পন্ন হয়েছে। ব্রাজিল খুব তাড়াতাড়ি আউট হয়ে গিয়েছিল, মনে অনেক নিরাশা এসেছিল। কিন্তু কালকে জানতে পেরেছি ভারত এবং ব্রাজিলের ম্যাচ ইডেন গার্ডেনে দেখার সুযোগ আসবে। তাহলে আমি তো লাইভ দেখে নেব। আর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে বলবো, যত বেশী সম্ভব যুবসাথীদের ডাকুন এবং ওনাদের দেখান খেলাধুলা পশ্চিমবঙ্গের প্রাণ। ‘
প্রসঙ্গ উঠলো কলকাতার ক্লাব হাউসেরও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, ‘ক্লাব হাউসের যে পরম্পরা রয়েছে, ওই ক্লাব হাউসের পরম্পরাকে আরও বিকশিত করতে হবে। ক্লাব হাউস থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকলা,সংস্কৃতি , সাহিত্য এবং খেলাধুলোর পুনর্জাগরণ করতে হবে। লোকজন এটাকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন সবাই লজ্জিত যে ওই কারণে এটা ব্যবহৃত হয়েছে।’
আরও পড়ুনঃ পুজোর আগেই চালু মেট্রো? অরেঞ্জ লাইন নিয়ে এল বড় আপডেট
এরপরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভুয়সী প্রশংসা করে নীতিন নবীন বললেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বতে আমার ভরসা আছে। যে ভয়ের পরিবেশ থেকে আপনি পশ্চিমবঙ্গকে বের করেছেন, আর এখন ভরসার পরিবেশে আপনি এগিয়ে নিয়ে চলেছেন আমার পুরো বিশ্বাস আছে, খেলাধুলার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পুরনো ইতিহাস আবার ফিরে আসবে। সেটা ফুটবল হোক কিংবা ক্রিকেট, প্রত্যেকটা খেলাধূলার ক্ষেত্রে। একই সাথে আমি বলব যুব নীতির ওপরেও আপনারা কাজ করুন।’
এছাড়া বর্তমান যুবসমাজের উদ্দেশ্যে তিনি জানান, আজকের যুবসমাজ খুব তাড়াতাড়িই কিছু জিনিস নিয়ে খুশি বা নিরাশ হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ যে শুরু করেছিলেন তার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল যুবসমাজকে এই নিরাশা বা হতাশা থেকে বের করে আনা। জীবন একবার পেয়েছো, কোনো একটা সফলতা বা ব্যর্থতা জীবনকে শেষ করে দিতে পারে না। প্রতিটা ব্যর্থতা ভবিষ্যতের সফলতার সিঁড়ি। তাই জীবনে শর্টকাট থেকে দূরে থাকুন। আর কী বললেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।













