বিনিয়োগ করলেই মাসিক আয় নিশ্চিত! পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমের রিটার্নের হিসাব বুঝুন

Published on:

Published on:

Post Office MIS scheme gives guaranteed monthly return check out calculation
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিনিয়োগ করে মাসে মাসে নিশ্চিত রিটার্ন পেতে চান? তাহলে আপনার জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিম (Post Office MIS Scheme) তথা মান্থলি ইনকাম স্কিম (Monthly Income Scheme)। এই মাসিক আয় প্রকল্পে এককালীন বিনিয়োগ করলে মাসে মাসে নির্দিষ্ট হারে সুদ পাওয়া যায়। সঠিক পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করলে শুধু সুদ হিসেবেই প্রায় ৩ লাখ টাকা পেতে পারেন বিনিয়োগকারী।

পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমের হিসাব | (Post Office MIS Scheme)

পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিম মার্কেট লিঙ্কড নয়। অর্থাৎ এই প্রকল্পের রিটার্নের উপর শেয়ারবাজারের ওঠানামার সরাসরি প্রভাব পড়ে না। বর্তমানে এই স্কিমে বছরে ৭.৪ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ দূর হল অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ার সমস্যা! বিধায়কের হস্তক্ষেপে পুজোর আগেই কমল চিন্তা

তবে পোস্ট অফিসের এই স্কিমে সুদের হার নির্দিষ্ট সময়ে সময়ে বদলাতে থাকে। সেই কারণে বিনিয়োগ করার সময় একবার দেখে নেওয়া উচিত, সেই সময় সুদের হার কত। পাশাপাশি বিনিয়োগের মেয়াদ, সুদের উপর প্রযোজ্য কর ও মেয়াদ পূর্তির আগে টাকা তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কী নিয়ম রয়েছে সেটাও চেক করে নেওয়া উচিত।

পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এখানে খুব কম টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। মাত্র ১ হাজার টাকা দিয়ে বিনিয়োগ শুরু করা যেতে পারে। সিঙ্গেল ও জয়েন্ট দু’ধরণেরই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ৯ লাখ টাকা ও জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ১৫ লাখ টাকা অবধি জমা করা যেতে পারে।

এবার কোনও ব্যক্তি যদি পোস্ট অফিস মান্থলি ইনকাম স্কিমে পাঁচ বছরের জন্য এককালীন ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে মেয়াদপূর্তির সময় শুধু সুদ হিসেবেই প্রায় ২,৯৬,০০০ টাকা পাবেন। মাসে মাসে ৪৯৩৩ টাকা করে সুদ পাবেন তিনি।

Post Office MIS scheme

এছাড়া মেয়াদপূর্তির পর সুদের পাশাপাশি মূল টাকাও ফেরত পাবেন বিনিয়োগকারী। অর্থাৎ মূল টাকা ও সুদ মিলিয়ে প্রায় ১০,৯৬,০০০ টাকা রিটার্ন পাওয়া যাবে।

সাধারণত অবসরের পর বহু মানুষ নিশ্চিত মাসিক আয়ের জন্য পোস্ট অফিস এমআইএস স্কিমে বিনিয়োগ করেন। এখান থেকে প্রত্যেক মাসে সুদ হিসেবে যে টাকা পাওয়া যায়, সেটা দিয়ে সংসারও চলে অনেকের।