বাংলা হান্ট ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তৃতীয় T20-তে টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়িং ইলেভেনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন ফাস্ট বোলার প্রিন্স যাদব (Prince Yadav)। কুলদীপ যাদবের (Kuldeep Yadav) পরিবর্তে এই ম্যাচে খেলা প্রিন্স ব্যাট করার সুযোগও পান প্রিন্স। তিনি ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে অপরাজিত ১৩ রান করেন। শেষ ওভারে প্রিন্স শামার জোসেফের বলে ৩ টি চার মারেন। এর ফলে টিম ইন্ডিয়ার (India National Cricket Team) স্কোর ২২৩ রানে পৌঁছয়। আর এই দুরন্ত ব্যাটিংয়ের মাধ্যমেই তিনি এক নজির গড়েছেন।
টেল-এন্ডার হিসাবে ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন প্রিন্স যাদব (Prince Yadav):
১০ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে প্রিন্স যাদব ৩ টি বাউন্ডারি হাঁকান: জানিয়ে রাখি নে, T20 ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে ভারতের হয়ে ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩ বা ততোধিক বাউন্ডারি হাঁকানো তৃতীয় খেলোয়াড় হিসাবে বিবেচিত বলেন প্রিন্স যাদব। ২০০৭ সালের T20 বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এস. শ্রীসন্থ ৪ টি চার মেরেছিলেন। এদিকে, ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আর. অশ্বিন ৩ টি চার মেরেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তৃতীয় T20 ম্যাচে প্রিন্স যাদবের স্ট্রাইক রেট ছিল ২১৬.৬৬। ১০ নম্বরে নেমে একের বেশি বলের মুখোমুখি হওয়া ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রিন্সের স্ট্রাইক রেট সবথেকে সেরা।
WHOLE DRESSING ROOM ENJOYING THE BATTING OF PRINCE YADAV 😂🔥 https://t.co/7dzrrNxZdJ
— Johns. (@CricCrazyJohns) October 11, 2026
ডেথ ওভারে শক্তিশালী বোলিং: উল্লেখ্য যে, ওই ম্যাচে প্রিন্স যাদব কোনও উইকেট না পেলেও, দলের জয়ের ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি তাঁর প্রথম ২ ওভারে ১৭ রান দেন। এরপর ডেথ ওভারে বোলিং করতে এসে তিনি ১৭ তম ও ১৯ তম ওভারে বল করেন।
আরও পড়ুন: অ্যাকাউন্টে হঠাৎ ঢুকেছে টাকা? সতর্ক না হলেই পড়বেন বিপদে, SBI জানাল জালিয়াতির নতুন পন্থা
এদিকে, শেষ ৪ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের জন্য ৬৫ রান প্রয়োজন ছিল। প্রিন্স তাঁর দুই ওভারে মাত্র ২০ রান দেন। এর ফলে শেষ ওভারে ২২ রান করেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ম্যাচটি হেরে যায়।
তৃতীয় T20-তে প্রথমে ব্যাট করে ভারত স্কোরবোর্ডে ২২৩ রান তোলে। দলের হয়ে অভিষেক শর্মা ৩০ বলে ৬৯ রানের একটি শক্তিশালী ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, ঈশান কিষাণ ১৮ বলে ৩৭ এবং তিলক ভর্মা ১৬ বলে ২৮ রান করেন। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০৯ রান করতে সক্ষম হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। অন্যদিকে কামিল পুরান এবং শামার স্প্রিঙ্গার যথাক্রমে ৪২ ও ৩৫ রান করেন।














