১৫০০ টাকা রুমের ভাড়া ঠেকেছে ১০ হাজারে! রথের আগেই পুরীতে ‘সোল্ড আউট’ হোটেল

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : হিন্দুধর্মের অত্যন্ত পুণ্যতিথি তথা বিরাট উৎসব রথযাত্রার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। আসন্ন আষাঢ় মাসে রথযাত্রা (Rathyatra) উৎসব। এই পুণ্যলগ্ন উপলক্ষে প্রতি বছর পুরীতে নামে ভক্তদের ঢল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জগন্নাথদেবের টানে ছুটে আসেন ভক্তরা। রথযাত্রার বহু আগে থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে শ্রীক্ষেত্রে। হোটেলগুলিও বুক হয়ে যায় আগেভাগেই।

পুরীতে রথের (Rathyatra) জন্য অধিকাংশ হোটেলের রুম বুকড

রথের সময় পুরীতে কার্যত তিল ধারণের জায়গা থাকে না। উৎসব শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই হোটেলগুলি বুক হতে শুরু করে। স্থানীয় হোটেল অ্যাসোসিয়েশন এবং পর্যটন সূত্রে খবর, রথযাত্রার দিন এবং তার আগের ও পরের দিনগুলির জন্য গ্র্যান্ড রোড এবং সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকার প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ হোটেলের রুম ইতিমধ্যেই বুকড।

Puri maximum hotels are already sold out for rathyatra

হোটেল থেকে ধর্মশালা সব বুকড: বিলাসবহুল হোটেল গুলিই শুধু নয়, কম বাজেটের হোটেল থেকে লজ, ধর্মশালাগুলিও বুকড। এমনকি অনলাইনে বুক করতে গেলেও দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ হোটেলের পাশে ‘সোল্ড আউট’ দেখাচ্ছে। ফলত লাগামহীন ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগও উঠছে হোটেল মালিকদের একাংশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এমনি সময়ে যে নন এসি বা এসি রুমের ভাড়া থাকে দিনপ্রতি ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা, এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০০ থেকে ১০০০০ টাকা!

আরও পড়ুন : দ্রুত কমছে TRP, চার মাসেই গল্প শেষ সিরিয়ালের?

বেড়ে গিয়েছে ভাড়া: বিশেষ করে গ্র্যান্ড রোডের উপরে যে হোটেলগুলি রয়েছে তাদের ভাড়া সবথেকে বেশি। কারণ এই হোটেলগুলির (Rathyatra) ব্যালকনি বা ছাদ থেকে রথযাত্রার দৃশ্য স্পষ্ট দেখা যায়। এখন এই হোটেলগুলির রুম ভাড়া দৈনিক ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় এই সময় হোটেল খুঁজতে যাওয়া পর্যটক এবং পুণ্যার্থীরা পড়েছেন মহা সমস্যায়।

আরও পড়ুন : অন্নপূর্ণা-আয়ুষ্মান ভারতের পর এবার বিশ্বকর্মা প্রকল্প, কবে থেকে চালু রাজ্যে? কারা পাবেন সুবিধা?

শুধু পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরাই নয়, ছত্তিসগড়, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আসা অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের বক্তব্য, হোটেলগুলির এই অতিরিক্ত দামের কারণে পুরীতে থাকার পরিকল্পনায় কিছু কাটছাঁট করতে হচ্ছে তাদের। দাবি উঠছে স্থানীয় প্রশাসন এবং ওড়িশা পর্যটন উন্নয়ন নিগম যেন হোটেলগুলির উপরে নজরদারি চালিয়ে একটি সর্বোচ্চ ভাড়ার সীমা বেঁধে দেয়।