রাঘব চাড্ডাকে সরাল আপ! এবার কি বিজেপির পথে পা বাড়াবেন তিনি?

Published on:

Published on:

Raghav Chadha Removed as AAP Rajya Sabha Deputy Leader
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এবার চর্চায় আম আদমি পার্টি। হঠাৎ করেই দলের অন্যতম পরিচিত মুখ রাঘব চাড্ডাকে (Raghav Chadha) রাজ্যসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। দলের ভেতরে কি দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও বড় রাজনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে, তা নিয়েই এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

কেন সরানো হল রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha) কে?

আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে (Raghav Chadha) ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দল। এই বিষয়ে সংসদে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন ডেপুটি লিডার হিসেবে অশোক মিত্তলের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। শুধু পদচ্যুত করাই নয়, দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যসভায় আপের বরাদ্দ সময় থেকেও রাঘব চাড্ডাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ফলে রাজনৈতিকভাবে এটি তাঁর জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। অশোক মিত্তলকে এই পদে আনার সিদ্ধান্ত যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ইঙ্গিতেই হয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

অন্যদিকে, গত কয়েক মাসে সংসদে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরে রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha) যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। গিগ কর্মীদের অধিকার, জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা, এমনকি টেলিকম সংস্থাগুলির রিচার্জ সংক্রান্ত অভিযোগ, এইসব বিষয় নিয়ে সরব ছিলেন তিনি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ইস্যুগুলিতে তাঁর সরব হওয়ার পরই সরকারও কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, যা তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বাড়ায়।

তবে এই সময়েই দলের সঙ্গে তাঁর (Raghav Chadha) দূরত্ব বাড়তে শুরু করে বলে জানা যায়। দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগহীন ছিলেন তিনি। এমনকি আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়াল জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরও তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি রাঘব।

Raghav Chadha Removed as AAP Rajya Sabha Deputy Leader

আরও পড়ুনঃ ৮.২৫ থেকে ১০ শতাংশ? পিএফ সুদ নিয়ে বড় আপডেট দিল কেন্দ্র

শুধু তাই নয়, সামনে পাঞ্জাব ও গুজরাটের নির্বাচনের প্রস্তুতিতেও রাঘব চাড্ডাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। এই সবকিছুর পরিপ্রেক্ষিতেই দল মনে করছে, তিনি (Raghav Chadha) বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। সেই আশঙ্কা থেকেই আগেভাগেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।