বাংলা হান্ট ডেস্ক : নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন রাজন্যা হালদার (Rajanya Haldar)। রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে নিজের অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করলেও, শুরুতেই বাধার সম্মুখীন হতে হল তাঁকে। আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনী লড়াই কার্যত ধাক্কা খেল।
রাজন্যার (Rajanya Halder) মনোনয়ন বাতিল:
প্রসঙ্গত, সোনারপুর দক্ষিণের পাশাপাশি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা আসন থেকেও এবার নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর কথা ছিল রাজন্যার। কিন্তু জানা যাচ্ছে, তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গিয়েছে। জেলা নির্বাচন দপ্তরে রাজন্যার জমা পড়া মনোনয়ন পত্রে বেশ কিছু ত্রুটি ধর পড়ে। আর তারপরে বাতিল হয়ে যায় মনোনয়নপত্র। তবে জানা গেছে শুধু রাজন্যা নয়, আরও ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। রাজন্যার মনোনয়নপত্রে ঠিক কী ত্রুটি ধরা পড়েছিল, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
বিধানসভা নির্বাচন প্রায় দোরগোড়ায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, পশ্চিম বর্ধমান জেলার নয়টি বিধানসভা থেকে ৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, প্রথমজন রাজন্যা হালদার। দ্বিতীয়জন ইমরান খান যিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টি থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তৃতীয়জন সুনীল চন্দ্র চৌরাশিয়া নির্দল প্রার্থীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং চতুর্থজন দীপিকা বাউরি নির্দল প্রার্থীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ।

আরও পড়ুন : বাংলার রাজনীতিতে এবার ‘মাছ’ ইস্যু! হলদিয়া সভা থেকে রাজ্যকে নিশানা করে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?
উল্লেখযোগ্যভাবে, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে তীব্র বক্তব্য রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন রাজন্যা হালদার। অল্প সময়েই তিনি রাজনৈতিক মহলে পরিচিতি পান এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দায়িত্বও পান। কিন্তু আর জি কর সংক্রান্ত একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি নির্মাণের পর তিনি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে দল থেকে সরিয়ে দেয়। অবশেষে কোন দলে যোগ না দিয়ে নিজেই দল গঠন করেন প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী। তবে রাজন্যার ভোটের ময়দানে প্রার্থী হওয়ার আশা বোধহয় এখানেই শেষ হল।











