আয়-ঋণের অদ্ভুত সমীকরণ! ভোটের আগে রুদ্রনীল ঘোষের হলফনামায় চমক

Published on:

Published on:

Rudranil Ghosh Declares Assets Income & Liabilities Ahead of Polls
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে প্রার্থীদের হলফনামা সামনে আসলেই সাধারণ মানুষের কৌতূহল বাড়ে কার কত সম্পত্তি, কত আয়, আবার কত ঋণ, সেটা জানার। সেই তালিকায় এবার উঠে এল শিবপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ও অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের (Rudranil Ghosh) নাম। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ যেমন চোখে পড়ার মতো, তেমনই রয়েছে বড় অঙ্কের ঋণও। সব মিলিয়ে তাঁর আর্থিক অবস্থার একটি মিশ্র ছবি সামনে এসেছে।

কত সম্পত্তির মালিক রুদ্রনীল (Rudranil Ghosh)?

শিবপুর কেন্দ্র থেকে লড়াই করা ৫৩ বছরের রুদ্রনীল ঘোষের (Rudranil Ghosh) নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট এবং দুটি বাড়ি, যার একটি পৈতৃক সম্পত্তি। অন্যদিকে, তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৯ লক্ষ টাকার কিছু বেশি। এই অঙ্কের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে একটি বিলাসবহুল গাড়ি। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সঞ্চিত অর্থও রয়েছে।

তবে সম্পত্তির পাশাপাশি রুদ্রনীলের (Rudranil Ghosh) ঋণের পরিমাণও কম নয়। হলফনামা অনুযায়ী, মোট ঋণের অঙ্ক ৭৩ লক্ষ টাকারও বেশি। এর মধ্যে বাড়ির ঋণ প্রায় ৫৯ লক্ষ টাকার উপরে, আর গাড়ির জন্য নেওয়া ঋণ প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা। ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের দিকেও এক অদ্ভুত ছবি সামনে এসেছে। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে কোথাও মাত্র ৫৭ টাকা, কোথাও ৮০৭ টাকা, এমন সামান্য অঙ্কও রয়েছে। হাতে নগদ রয়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা।

আয়ের হিসাবে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রুদ্রনীলের (Rudranil Ghosh) বার্ষিক আয় ২২ লক্ষ টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, শুধু আর্থিক দিক নয়, এবারের নির্বাচনে তাঁর রাজনৈতিক লড়াইও বিশেষ নজরে রয়েছে। শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে শহুরে জনসংখ্যা, মধ্যবিত্ত ভোটার এবং শিল্পাঞ্চলের প্রভাব মিলিয়ে ভোটের সমীকরণ সবসময়ই জটিল।

Rudranil Ghosh wrote a poem in response, satirizing Abhishek's poem.

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গে কড়া নজর কমিশনের, ‘স্পর্শকাতর’ বুথে এবার কী নতুন ব্যবস্থা জানেন?

এই কেন্দ্রেরই বাসিন্দা রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh)। ফলে তাঁর জন্য এই লড়াই শুধু নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং একজন অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে নিজের অবস্থান তৈরি করারও বড় পরীক্ষা। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফলই বলবে, ভোটের পরীক্ষায় তিনি কতটা সফল হতে পারলেন।