বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বহুদিন ধরে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র (Dearness Allowance) দাবিতে সরব হচ্ছে বাংলার সরকারি কর্মীরা। তবে কেন্দ্রীয় হারে তো দূর, বহুদিন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন করে মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা করেনি সরকার। এই আবহে ভোটমুখী রাজ্যে সরকারের উপর চাপ বাড়াতে রাস্তায় নামতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ।
ডিএ ইস্যুতে বিস্ফোরক ভাস্কর ঘোষ | Dearness Allowance
আগামী ২৭ জানুয়ারি বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং স্বচ্ছ নিয়োগ সহ গুচ্ছ গুচ্ছ দাবি নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচীর ডাক দিয়েছে ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ’। ২৭ জানুয়ারি শহিদ মিনার ময়দানে লাগাতার অবস্থানের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এক বিশাল মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে যৌথ মঞ্চের তরফে। সকলে মিলে একযোগে নিজেদের দাবি আদায়ে সোচ্চার হবেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।
কেন দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে রাজ্য সরকার নতুন করে ডিএয়ের ঘোষণা করেনি? এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বললেন, ‘আমরা যখন দীর্ঘ তিন বছর ধরে লড়াই করছিলাম। তার আগে ২০১৯ সাল থেকে ডিএ প্রায় শূন্য ছিল। আমাদের আন্দোলনের পরে যখন একের পর এক ডিএ ঘোষণা করা হচ্ছিল, তখন কর্মচারীদেরই একাংশ বলতেন যে ওটা এমনিই দেওয়ার ছিল। আর এই বছর এখনও পর্যন্ত কোনও ডিএ দেয়নি। কারণ আমরা এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও আন্দোলন করিনি এ বছর। ”
তিঁনি বলেন, “এখন আমরা নামছি। হয়তো ভবিষ্যতে দেবে। অর্থাৎ একটা জিনিস প্রমাণিত যে আন্দোলনের চাপে পড়েই সমস্ত ডিএ ঘোষণা করেছে সরকার।” একইসাথে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে তীব্র আক্রমণ করে তিঁনি আরও বলেন, ‘বিনা আন্দোলনে কেউ দয়া করে আপনাকে অধিকার পাইয়ে দেয়নি। অধিকার তো দেবেই না, কারণ সরকারে থাকা প্রধানের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

আরও পড়ুন: পরীক্ষার সকালে বড় স্বস্তি, মাধ্যমিক–উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য ভোর ৫টা থেকে পরিবহণ ব্যবস্থা
“তাঁর উপরে চাপ না পড়লে কারও অধিকার দেওয়ার ধারণায় বিশ্বাস করেন না। আপনি যদি দুর্নীতি করতে পারেন, তাহলে আপনাকে সুরক্ষিত করার দায়িত্ব তিনি নেবেন… তবে যদি সেই দুর্নীতির অর্থ তাঁর কাছে পৌঁছায়।” আক্রমণ ভাস্কর ঘোষের।












