বাংলাহান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হতেই জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। তবে এর মধ্যেও সিলিন্ডারের যোগান বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। জ্বালানি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত সিলিন্ডার (Liquefied Petroleum Gas) বুক করার প্রয়োজন নেই বলেই বারংবার দেশবাসীকে সতর্ক করছে সরকার। যথেষ্ট পরিমাণে এলপিজি মজুত রয়েছে দেশে। তবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ছোট সিলিন্ডারের বিক্রি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
ছোট গ্যাস সিলিন্ডারের (Liquefied Petroleum Gas) বিক্রি বাড়ল দেশে
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২৩ মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬ লক্ষ ৬০ হাজার ৫ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে আবার ৪ এপ্রিলেই বিক্রি হয়েছে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি গ্যাস সিলিন্ডার। উল্লেখ্য, এই ৫ কেজির ছোট সিলিন্ডারগুলি বাজারদরে বিক্রি হয়। ঠিকানার কোনও প্রমাণ দরকার হয় না কেনার সময়। সরাসরি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছ থেকেই কেনা যায়।

সরবরাহে নেই ঘাটতি: কেন্দ্র আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছে, দেশে এলপিজি সরবরাহে ঘাটতির খবর নেই কোথাও। মোট চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই বুক হয়ে যাচ্ছে অনলাইনে। একদিনে ৫১ লক্ষের বেশি ১৪.২ কেজির গার্হস্থ্য গ্যাস সিলিন্ডার (Liquefied Petroleum Gas) সরবরাহ করা হয়েছে। গৃহস্থালি এবং হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গৃহস্থালির চাহিদা মেটাতে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ বর্তমানে স্বাভাবিক সময়ের ৭০ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন : রাহুলের মৃত্যুতে নয়া মোড়, নিরাপত্তার দাবিতে মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি টলিপাড়ার
বাড়ানো হয়েছে উৎপাদন: প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও বাড়ি ও পরিবহণের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে রিফাইনারির উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। পেট্রোল, ডিজেল যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রয়েছে।
আরও পড়ুন : ১৫০ কোটির ‘উপহার’, ৬৫ কোটির মাদক বাজেয়াপ্ত, সব রাজ্যকে হারিয়ে ‘লজ্জার’ রেকর্ড বাংলার
কালোবাজারিও কড়া হাতে দমন করছে সরকার। তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ডিস্ট্রিবিউটরদের ১৪০০-হর বেশি শোকজ নোটিশ ধরানো হয়েছে। বেশ কিছু ডিলারশিপও সাসপেন্ড করা হয়েছে।












