ডিভোর্স অ্যাগ্রিমেন্টের পর ইউ-টার্ন নয়, আইনি অবস্থান স্পষ্ট করল সুপ্রিম কোর্ট

Published on:

Published on:

Supreme Court
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদের চুক্তির পর সম্মতি প্রত্যাহার করা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অর্থাৎ তখন আর কোন পক্ষ বলতে পারবেনা তিনি বিবাহ বিচ্ছেদে চুক্তিতে রাজি নয়। বিশ্ব আদালতের বিচারপতি রাজিব বিন্দল ও বিচারপতি বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ও আইন মেনে বিচ্ছেদের ডিক্রি জারি করার আগে সম্মতি প্রত্যাহারের সুযোগ থাকে। তবে বিবাহের নিষ্পত্তি করতে দুই পক্ষেরই একবার সম্মতি নিয়ে ফেললে সেখান থেকে আর পিছন ফিরে যাবে না বলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিচ্ছেদের চুক্তির পর মত বদল নয়, সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা (Supreme Court)

সম্প্রতি দিল্লির এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় মধ্যস্থতায় বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)
। এই মামলার মধ্যস্থতা হয়ে যাওয়ার পরেই যখন চুক্তি করে সরে আসা হয়ে যাবে সেখানে যদি প্রমাণ করা হয় যে একপক্ষের সঙ্গে প্রতারণা করছে অন্যপক্ষ। অথবা যদি প্রমাণ করা যায় যে চুক্তি জবরদস্তি করানো হয়েছে। অথবা প্রমাণ করতে হবে অপরপক্ষ যুক্তির শর্ত পালন করেনি।

Supreme Court issues stern message no change of mind after sseparation agreement

আরও পড়ুন: পোলাওয়ের সঙ্গে কী বানাবেন ভাবছেন? ভেটকি কোর্মাই হতে পারে পারফেক্ট ডিশ, রেসিপি রইল

আর যদি এমনটা কিছু প্রমাণ করা না যায় তাহলে অভিযোগকারীদের ওপর জরিমানা আরোপ করা হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ আদালত অনুমোদিত মধ্যস্থতা থেকে সরে আসার প্রবণতাকে মোকাবিলা করা প্রয়োজন। এছাড়াও মধ্যস্থতায় সমগ্র ভিত্তিতেই আঘাত করবে বলে বলা হয়েছে। জানা যায় ২০০০ সালে বিয়ে হয়েছিল দিল্লির ওই দম্পতি।

তবে তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু কুড়ি বছরের নির্ঝঞ্ঝাট সংসার করেছেন তারা। তবে তারপরেই শুরু হয় দাম্পত্যে কলহ। এরপর ২০২২ ও ২০২৩ সালে স্ত্রীর বিরুদ্ধে নিষ্ঠুরতার অভিযোগ তুলে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন, তার স্বামী। পারিবারিক আদালতে মামলাটি ওঠে। পরে সেটি মধ্যস্থতা হয় দুপক্ষের মধ্যে।

কিন্তু পরবর্তীকালে বিচ্ছেদের চুক্তি থেকে সম্মতি প্রত্যাহার করেন স্ত্রী। স্বামীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ হিংসার মামলাও তোলেন তিনি। পাশাপাশি দ্বারস্থ হন দিল্লির হাইকোর্টে। কিন্তু উচ্চ আদালত মামলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়। এরপরই সুপ্রিমকোর্টের দারস্ত হন স্বামী। তারপরেই এই মামলায় সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে, আইন প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করতেই গার্হস্থ হিংসার মামলার দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলায় খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।