ট্রাইব্যুনাল ছাড়পত্র ছাড়া ভোট নয়! ডেডলাইন বেঁধে বড় রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেকের মধ্যেই একটা বড় প্রশ্ন ঘুরছিল যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বা যাঁদের মামলা এখনও ট্রাইব্যুনালে চলছে, তাঁরা কি এবার ভোট দিতে পারবেন? শুধু আবেদন করলেই কি ভোটাধিকার ফিরে আসবে? এই সমস্ত বিভ্রান্তি কাটাতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

কী বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)?

সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) একেবারে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে যে, শুধু ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেই ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে না। যাঁদের আবেদন শুনে ট্রাইব্যুনাল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং নাম ফিরিয়ে দেবে, কেবল তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন।

ভোটের তারিখ মাথায় রেখে নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে আদালত (Supreme Court)। রাজ্যে প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। সেই ক্ষেত্রে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে, তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন। দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল, এখানে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে ভোট দেওয়ার সুযোগ আর থাকবে না।

একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনাল থেকে বাতিল হয়ে যাবে, তাঁরা কোনওভাবেই এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। এই রায় সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ ব্যবহার করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে আর কোনও আইনি বাধা নেই বলেই স্পষ্ট।

আসলে, মনোনয়ন জমা পড়ার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করে দেয়। তাই অনেকেই চিন্তায় ছিলেন পরে যদি ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড় মেলে, তাহলে কি ভোট দেওয়া যাবে? সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই রায় সেই দোটানাই অনেকটাই দূর করল।

Supreme Court issues stern message no change of mind after sseparation agreement

আরও পড়ুনঃ ‘সাংবাদিক সেজে ভোটকেন্দ্রে ঢুকছে কর্মী!’ IPAC নিয়ে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারকে ‘বিবেচনাধীন’ রাখা হয়েছিল। পরে যাচাই করে প্রায় ৩২ লক্ষের বেশি মানুষের নাম আবার তালিকায় ফিরেছে। তবে এখনও প্রায় ২৭ লক্ষেরও বেশি মানুষ নিজেদের ভোটাধিকার ফিরে পেতে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। তাঁদের সব প্রশ্নের উত্তরই এবার এই রায়ের মাধ্যমে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।