‘তৃণমূলের অত্যাচার সহ্য করতে পারছে না’ ঘাস শিবির থেকে কর্মীদের দলবদল প্রসঙ্গে শুভেন্দু

Updated on:

Updated on:

Subhendu speak on the transfer of workers from Trinamool
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে (Assembly Election) ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ চরমে উঠছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই দলবদল, পাল্টা আক্রমণ এবং শক্তি প্রদর্শনের লড়াই তীব্র হচ্ছে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে ‌ তৃণমূলের দিকে আঙুল তুললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

দলবদল প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলায় বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তন নতুন করে সমীকরণ তৈরি করছে। এবারের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়েই দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে বড়সড় ধাক্কা দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। প্রায় কয়েকশো তৃণমূল নেতা কর্মী দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এই বিপুল পরিমাণে দলবদলের ঘটনা ঘটেছে ক্যানিং ও গোসাবা অঞ্চলে। এই কর্মীদের বিজেপিতে সাদরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এই যোগদান কর্মসূচিতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। যোগদান কর্মসূচি থেকে তৃণমূলকে কোণঠাসা করতে শোনা যায় শুভেন্দুর কন্ঠে। বিজেপি নেতা কড়া ভাষায় বলেন,”মানুষ আর তৃণমূলের অত্যাচার ও স্বজনপোষণ সহ্য করতে পারছেন না।” দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই দল বদল রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। যেসব কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাদের বক্তব্য, দলের অন্তরে থেকে কাজ করার সুযোগ না পেয়ে তারা দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বিজেপিতে যোগদান কর্মসূচি থেকে এই দলবদল প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সব কাউকে নির্বিচারে দলে নেওয়া হচ্ছে না। যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সন্ত্রাসের অভিযোগ নেই, তাঁদেরই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এদিন শাসকদলকে আক্রমণ করে বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক সহ আরও বহু প্রার্থীদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করেন। বিজেপি নেতা তৃণমূল দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ওই দলের প্রতিষ্ঠার সময় যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন , তাদের গুরুত্ব কমে গিয়েছে। এমনকি বোরশিয়ার নেতা সুব্রত বক্সী কে সরিয়ে দেওয়া নিয়েও খোঁচা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলে অভিজ্ঞ নেতাদের বাদ দিয়ে অনভিজ্ঞ নতুন নেতাদের বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

Subhendu Adhikary speak on the transfer of workers from Trinamool

আরও পড়ুন :জানান দেবে মানুষের উপস্থিতি! বুথে অতিরিক্ত একজন প্রবেশ করলেই ধরে ফেলবে AI

ভোটের আগে এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, রাজ্যের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হতে চলেছে। শেষ পর্যন্ত এই সমীকরণ ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।