বড় পরিকল্পনা সরকারের! শীঘ্রই বদলাবে পেট্রোল ভরার পদ্ধতি?

Published on:

Published on:

Petrol-Diesel prices may decrease by 5 rupees per liter.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, ভারতে পেট্রোল পাম্পগুলিতে শীঘ্রই গ্রাহকরা তাদের গাড়ির প্রকারভেদ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের ইথানল ব্লেন্ডেড পেট্রোল বেছে নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। সরকার ই২০, ই২২, ই২৫ এবং ই৩০-এর মতো বেশ কয়েকটি ইথানল ব্লেন্ডেড পেট্রোল ব্র্যান্ড চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যার মূল লক্ষ্য হল অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহারকে উৎসাহিত করা।

শীঘ্রই বদলে যেতে পারে পেট্রোল (Petrol Pump) ভরার পদ্ধতি:

ইতিমধ্যেই সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ভারত পেট্রোলিয়াম ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা জিও-বিপি মোবিলিটি নায়ারা এনার্জি ও শেলকে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

The method of filling fuel at petrol pump may soon change.

পেট্রোল পাম্পগুলিতে ভিন্ন ধরণের লেবেলিং ব্যবস্থা চালু করা হবে: এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে, পেট্রোল পাম্পগুলিতে প্রত্যেক ইথানল ব্লেন্ডেড জ্বালানিকে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করা হবে। ডিসপেনসারে পেট্রোলের সঙ্গে মেশানো ইথানলের পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। যা গ্রাহকদের তাদের গাড়ির জন্য সঠিক বিকল্পটি বেছে নিতে সাহায্য করবে। এর জন্য পৃথক স্টোরেজ ট্যাঙ্ক, ব্লেন্ডিং সিস্টেম এবং কোয়ালিটি মনিটরিং  ব্যবস্থাও প্রস্তুত করা হবে।

বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে ই২০ পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে। তবে, ইথানল শিল্প দীর্ঘদিন ধরেই ২০ শতাংশের বেশি মিশ্রণের দাবি করে আসছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, ভারতে ইথানল উৎপাদন এখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হচ্ছে। সুতরাং, নতুন বিকল্প নিয়ে আসা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: রিলায়েন্সের মাধ্যমে গত বছরে বিপুল কর্মসংস্থান! চমকে দেবে সংস্থার মোট কর্মচারীর সংখ্যা

অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টা: জানিয়ে রাখি যে, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের গ্রাহক এবং দেশটি তার তেলের চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানি করে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনা এবং অপরিশোধিত তেলের মূল্যের ওঠানামার মধ্যে সরকার ইথানলকে একটি প্রধান বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইথানল ব্লেন্ডিংয়ের ফলে দেশের প্রায় ১.৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। এছাড়াও, কার্বন নির্গমন ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে।

আরও পড়ুন: বৈভব সূর্যবংশী পরিবেশের জন্য ‘ক্ষতিকর’! কেন এমন প্রতিক্রিয়া রবিচন্দ্রন অশ্বিনের?

মাইলেজ এবং ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে: তবে, উচ্চ ইথানলযুক্ত পেট্রোলের জ্বালানি দক্ষতা ও ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সরকার মনে করে যে ই২০-র মতো জ্বালানি গাড়ির পিকআপ বাড়ায় এবং মাইলেজের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, আগামী দিনে ব্রাজিলের মতো ভারতেও গ্রাহকরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ইথানল ব্লেন্ডেড পেট্রোল বেছে নিতে পারবেন।