তিন দশক আগেই করেছিলেন রাম মন্দিরের ভবিষ্যদ্বাণী, কে এই দেবরাহ বাবা? জানুন তাঁর অলৌকিক কাহিনী

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভারতকে দেবভূমি বলা হলেও অত্যুক্তি হবেনা। বহু সাধু, মুনি ঋষিদের দেশ আমাদের ভারত (India)। এরকমই একজন হলেন দেবরাহ বাবা (Devraha Baba)। বলা হয় এই মহান তপস্বী প্রায় ৫০০ বছর বেঁচে ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন পরীক্ষিত সাধক। তিনি কবে জন্মেছিলেন তার হদিশ কেউই জানেনা। আজ থেকে ৩৩ বছর আগে নাকি তিনি রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে বড় মন্তব্য করে গেছিলেন। আজকের প্রতিবেদনে সেটাই জানাবো আপনাদের।

   

দেবরাহ বাবা কে ছিলেন?

দেবরাহ বাবার জন্ম উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলায়। কথিত আছে তিনি ৫০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। এরপর ১৯৯০ সালের ১৯ জুন তিনি দেহ ত্যাগ করেন। শোনা যায় সেই দিনটা ছিল, একাদশীর দিন এবং মঙ্গলবার। বৃন্দাবনে যমুনা নদীর তীরে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন তিনি। শোনা যায়, এই যমুনা এবং সরযু নদীর তীরেই তিনি বসবাস করতেন।

মাটি থেকে ১২ ফুট উঁচুতে একটি কাঠের মঞ্চে তিনি থাকতেন। ভক্তরা তাকে দেখতে এলে ঐ কাঠের মাচা থেকেই আশীর্বাদ করতেন তিনি। সেই ভক্তদের তালিকায় ছিল দেশের বড় বড় রাজনীতিবিদদের নাম। একটা সময় জহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, মদন মোহন মালব্যের মত নেতারাও নাকি এই দেবরাহ বাবার শরনাপন্ন হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন : কেন ছবি তুলতে আসা ভক্তদের গালিগালাজ করেছিলেন রূপম? অবশেষে মুখ খুললেন শিল্পীর স্ত্রী

উল্লেখ্য, আজ থেকে প্রায় ৩৩ বছর আগে এক সাংবাদিক দেবরাহ বাবার সাক্ষাৎকার নেন। সেই সময় তাকে রাম মন্দির এবং অযোধ্যা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘শোনো, এটি বন্ধ করা হয়নি, এটি নিয়ম অনুসারে নির্মিত হবে, শুনেছি মন্দির তৈরি হবে, এতে কোনও সন্দেহ নেই।’ তাঁর কথায়, এই মন্দির নির্মাণ হবে মানুষের ভালোবাসা আর ভক্তি দিয়ে। এবং সত্যি সত্যিই সেই মন্দির তৈরি হতে চলেছে।

আরও পড়ুন : মাত্র ৮৮ জন ভারতীয় সেনার দাপটে কাঁপছে চিন! মুইজ্জুর মাথা ব্যাথার কারণ জানেন? দ্বীপরাষ্ট্রে কী কাজ তাদের?

deo baba

আজ থেকে ৩৩ বছর আগে করা ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তব হতে চলেছে আগামী ২২ জানুয়ারি। আর মাত্র ৭ দিন পরেই নিজ গৃহে ফিরতে চলেছেন ভগবান রাম। এমনিও অনেকেই বিশ্বাস করতেন যে, দেবরাহ বাবা ভবিষ্যৎ দেখতে পান। তিনি দীর্ঘদিন তপস্যার পর এমন অনেক অলৌকিক ক্ষমতা পেয়েছিলেন যা বর্ণনা করা যায়না। স্থানীয় মানুষদের বিশ্বাস, ধ্যান ও যোগের মাধ্যমে হিমালয়ের জ্ঞানগঞ্জের অভ্যন্তরে বছরের পর বছর ধরে তপস্যা করে আসা ঋষিদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন তিনি। বলা হয় এই মহাভারতকালে জ্ঞানগঞ্জ থেকেই পাণ্ডবরা সিদ্ধি লাভ করেছিলেন।