ইজরায়েল-লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি! বড় ঘোষণা করে কী জানালেন ট্রাম্প?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: দীর্ঘদিনের সংঘাতের আবহে অবশেষে শান্তির পথে এগোতে চলেছে ইজরায়েল এবং লেবানন (Israel-Lebanon Ceasfire)। বহু বছরের উত্তেজনার পর দুই দেশের মধ্যে বৈঠকের ঘোষণা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন ফেলেছে। এই বৈঠকের ঠিক আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছেন, যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইজরায়েল-লেবাননের (Israel-Lebanon Ceasfire) মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের

বৃহস্পতিবার নিজের সোশাল মিডিয়া বার্তায় ট্রাম্প জানান, নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে এবং এটি শান্তি প্রক্রিয়ার সূচনা মাত্র। যদিও সংঘাতে সরাসরি যুক্ত পক্ষগুলির তরফে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে কূটনৈতিক মহলের মতে, এই ঘোষণা দীর্ঘদিনের পর্দার আড়ালের আলোচনার ফল। পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির মাঝেই এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:৪ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সেরাদের তালিকায়! ISRO-র কাজ থেকে প্রশিক্ষণের সুযোগ মেমারির অহনের

প্রায় ৩৪ বছর পর এই প্রথম দুই দেশের নেতারা সরাসরি বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। ১৯৮৩ সালের লেবানন যুদ্ধের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে এমন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আর হয়নি। ১৯৪৮ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ, এবং কোনও আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্কও গড়ে ওঠেনি। সেই প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই উদ্যোগ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমতে পারে। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তে লেবাননের সেনার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। এই শর্ত পূরণ না হলে স্থায়ী শান্তি সম্ভব নয় বলেও মত তাঁর।

Trump Announces Israel-Lebanon Ceasefire for 10-Days

আরও পড়ুন:ভারতে একাধিক হামলায় জড়িত! লাহোরে লস্করের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আমির হামজাকে লক্ষ্য করে গুলি

অন্যদিকে, লেবাননের (Israel-Lebanon Ceasfire) সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবোল্লাহ এই বৈঠককে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ। সম্প্রতি তারা উত্তর ইজরায়েলের একাধিক শহরে হামলা চালিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও মাটিতে বাস্তব পরিস্থিতি কতটা বদলাবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবুও আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতের শান্তির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।