দুমাসের ডেডলাইন! মোথাবাড়ি কান্ডে NIA-কে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Published on:

Published on:

Two-months deadline! Supreme Court gives big order to NIA in Mothabari case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : মোথাবাড়িতে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হেনস্থার ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলার তদন্ত আর দীর্ঘায়িত করা যাবে না।

কী নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ?

আগামী দুমাসের মধ্যেই তদন্ত সম্পূর্ণ করে চার্জশিট জমা দিতে হবে NIA-কে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জুডিশিয়াল অফিসারদের এখনও নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কি না, সেই বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ দিনের শুনানিতে প্রথমেই মোথাবাড়ি মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালতের তরফে জানতে চাওয়া হয়, তদন্ত বর্তমানে ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে। এর উত্তরে NIA-র হয়ে সওয়াল করা অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সূর্যপ্রকাশ ভি রাজু জানান, পরবর্তী শুনানির দিন বিস্তারিত স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, “আপনারা চার্জশিট পেশ করুন। আগামী দুমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে NIAকে। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে। জুডিশিয়াল অফিসারদের এখনও পুলিশের নিরাপত্তা প্রয়োজন আছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে প্রশাসন।” একই দিনে সুপ্রিম কোর্টে SIR সংক্রান্ত মামলাতেও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মানেকা গুরুস্বামী আদালতের নজরে আনেন বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা এবং বিভিন্ন কেন্দ্রে জয়ের ব্যবধানের বিষয়টি। তাঁদের দাবি, এর আগে আদালত জানিয়েছিল, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিচারবিভাগ হস্তক্ষেপ করতে পারে। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনি যা মামলা ফাইল করার করুন, আমরাও তথ্য সংগ্রহ করব।”

Two-months deadline! Supreme Court gives big order to NIA in Mothabari case

আরও পড়ুন :‘মসজিদবাড়ি রোড’ এবার ‘নেতাজি পল্লী’, বারাসাতে রাস্তার নাম পরিবর্তনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা

এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হবে বলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট। মোথাবাড়ি তদন্ত থেকে শুরু করে SIR বিতর্ক— দুই ক্ষেত্রেই আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে, এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।