বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ডিএ ইস্যুতে ফের উত্তপ্ত রাজ্য। চূড়ান্ত রায়দানের পরও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) প্রদান না করায় বৃহস্পতিবার কালীঘাট অভিযানের ডাক দিয়েছিল ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ’। যদিও পুলিশি ব্যারিকেড এবং অনুমতি না থাকার কারণে আন্দোলনকারীদের সেই যাত্রা সম্ভব হয়নি।
বকেয়া ডিএ ইস্যুতে আরও চাপে রাজ্য | Dearness Allowance
রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াতেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে সরাসরি প্রশাসনিক প্রধানের বাসভবন অর্থাৎ কালীঘাট অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে তা সফল না হওয়ায় এবার আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়াতে চাইছে সংগঠন। সেই কারণে আগামী ১৩ মার্চ রাজ্যজুড়ে পূর্ণ ধর্মঘটের ডাক দিল সংগঠন।
এদিন বিক্ষোভকারীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা মুখ্যসচিবকে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসার দাবি জানান। তবে তার কোনোটাই হয়নি। এই নিয়ে রাজ্য সরকারের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, “সারা ভারতবর্ষ সুপ্রিম কোর্টের আইন মেনে চলে, কিন্তু এই রাজ্যে আইন কেবল একজনের নির্দেশেই চলে।”
নেতার কথায়, “এই রাজ্যে একটাই কোর্ট, সেই কোর্ট হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে প্রশাসন।” সংগঠনের তরফে দাবি, “সেমিফাইনাল শেষ, এবার ফাইনাল খেলা হবে ১৩ মার্চ।”

আরও পড়ুন: ঝড়বে ঘাম, দক্ষিণবঙ্গে ৪ ডিগ্রি বাড়ছে তাপমাত্রা, আবহাওয়ার আপডেট
উল্লেখ্য, বকেয়া ডিএ মামলার চূড়ান্ত রায়দান করে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়ার ১০০ শতাংশই মেটাতে হবে। ডিএ–র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। বাকিটা কীভাবে মেটানো হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আগামী ৬ই মার্চের মধ্যে। তবে এরই মধ্যে ডিএ নিয়ে মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে দেওয়া আইনি নোটিসের উত্তর না মেলায় ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন সরকারি কর্মীরা। পাশাপাশি রাস্তায় নেমেও লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তারা।












