বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দ্বিতীয় দফার ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও বাড়াতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এবার বাংলার কয়েকটি স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে NIA-কে। সাধারণত সন্ত্রাসবাদ বা বড় নাশকতার তদন্তে এই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দেখা যায়। কিন্তু ভোটের নিরাপত্তায় তাদের দায়িত্ব দেওয়া প্রায় নজিরবিহীন ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি কয়েকটি জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ভোটে (West Bengal Assembly Election 2026) NIA মোতায়েন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার ভোটে (West Bengal Assembly Election 2026) অন্তত সাতটি স্পর্শকাতর এলাকায় NIA-র বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। এর আগে কোনও নির্বাচনে এই সংস্থাকে এভাবে ভোটের দায়িত্বে নামানো হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হলেও কয়েকটি জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। তার মধ্যেই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধারের ঘটনা সামনে আসে। যদিও কোথাও বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠেনি, তবুও পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক কমিশন।
এই মুহূর্তে রাজ্যে প্রতি ১০০ জন ভোটারের জন্য একজন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন রয়েছে। বড় রাস্তা থেকে গ্রামাঞ্চলের গলি, সব জায়গাতেই চলছে টহল। তার মধ্যেই দ্বিতীয় দফার (West Bengal Assembly Election 2026) আগে আরও কড়া নজরদারির জন্য NIA-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
সূত্রের খবর, হুগলি, কসবা, ভাঙড়, বর্ধমান, নদিয়া, বারুইপুর এবং বিষ্ণুপুর, এই সাতটি এলাকায় থাকবে NIA-র টিম। মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। বিশেষ করে ভাঙড়ের নাম তালিকায় রাখা হয়েছে অতীতের ভোট হিংসার ইতিহাস মাথায় রেখেই। অন্যদিকে, বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত আগে থেকেই NIA করছে। সেই কারণেও বর্ধমানে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ নিরাপদ ভোটে জোর! বাংলায় ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু করলেন রাজ্যপাল
এছাড়া কলকাতার কসবাতেও থাকবে NIA টিম। সম্প্রতি মালদার কালিয়াচকে সাত বিচারককে আটকে রাখার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে যে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর অনুমতি দিয়েছিল। পরে সেই ঘটনার তদন্তভারও NIA-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। এবার ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) নিরাপত্তাতেও সেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকেই কাজে লাগানো হচ্ছে।












