বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার চূড়ান্ত রায়দান করে সুপ্রিম কোর্ট কড়া ভাবে জানিয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) বকেয়া ডিএ–র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। গত ৫ ফেব্রুয়ারী এই নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম নির্দেশের এক সপ্তাহ পর ১৫ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। দেওয়া হয়েছে আইনি নোটিসও। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও রাজ্য সরকারের তরফে কোনো পদক্ষেপ নেই কেন? এই নিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের সুপ্রিম কোর্টে সরকারি কর্মীরা।
ডিএ ইস্যুতে ফাইল কনটেম্পট পিটিশন | Dearness Allowance
এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বকেয়া ডিএ না মেটানোর জন্য রাজ্য কোনো পদক্ষেপ না করায় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং রাজ্যের অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রকে আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছিলেন ডিএ মামলাকারীরা। কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবকে অবমাননার নোটিস দিয়েছেন। এবার সরাসরি ফের সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নাড়ল সরকারি কর্মীরা।

কোর্টের জারি করা ডিএ মামলার নির্দেশকে ইচ্ছাকৃত এবং সজ্ঞানে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা। এই বিষয়ে যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “শীর্ষ আদালতের প্রতি সম্মান দেখানোর কোনও মানসিকতা নেই রাজ্য সরকারের। এমন একটা সরকারকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাদের এই দেশের সংবিধানের প্রতিও ন্যুনতম সম্মানবোধ নেই। প্রশাসনিক তৎপরতা নেই।”

আরও পড়ুন: ‘আলাদা লড়াইয়ের’ ইঙ্গিত দিলীপের, তবে কি তৃণমূলে যাচ্ছেন রিঙ্কু মজুমদার? নয়া জল্পনা শুরু
তিনি স্পষ্ট জানান, ‘আমরা বাধ্য হয়ে শরণাপন্ন হয়েছি। না জেনে করেছেন এমনটাও নয়।” অর্থাৎ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে সুপ্রিম নির্দেশকে অবমাননার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তাই কনটেম্পট পিটিশন ফাইল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আইনি নেটিস দিয়ে তিন দিনের মধ্যে সুপ্রিম নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছিল। এখনও সেই নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য না থাকার আদালতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ বলে খবর। আগামী সপ্তাহে মামলা শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। আদালত অবমাননার মামলার করতে চলেছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজও, এমনটাই খবর।













