বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত ৫ ফেব্রুয়ারী বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার রায়দান হয়ে গিয়েছে। দু’সপ্তাহ হতে চললেও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) বকেয়া ডিএ–র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছিল তা নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য নেই সরকারের। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছেন ডিএ মামলাকারীরা। পরিস্থিতি যখন আরও জটিল হচ্ছে সেই সময় এল বড়সড় আশ্বাসবাণী।
‘বকেয়া ডিএ মিলবেই’ | Dearness Allowance
গত ৫ ফেব্রুয়ারী এই নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম নির্দেশের পরেও বকেয়া ডিএ না মেটানোর জন্য কোনো পদক্ষেপ করা হয়নি বলে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং রাজ্যের অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রকে আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছে কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত।
তবে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এবার আশ্বস্ত করলেন সুপ্রিম নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে বাধ্য হবে নবান্ন। তাঁর দাবি, শীর্ষ আদালতের রায়ের পরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকার কেউ খর্ব করতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা জানতে চাইছেন যে আমরা এটা (বকেয়া ডিএ) আদৌও পাব কিনা। আপনি নিশ্চিতভাবেই পাবেন।’
আইনজীবী বলেন, নিশ্চিতভাবেই বকেয়া ডিএ মিলবে কারণ আদালতের এই নির্দেশ রয়েছে। যা একেবারে স্পষ্টভাবে বলা আছে। তাঁর দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ পালন না করে এই সরকার কোথাও যেতে পারবে না। সুপ্রিম কোর্ট সময় বেঁধে দিয়েছে। সেটা মতোই রাজ্য সরকারকে কাজ করতে হবে।
এদিকে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে আদালত অবমাননার নোটিস প্রসঙ্গে মামলাকারীরা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মেটাতে বলেছিল। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত সে ব্যাপারে পদক্ষেপ না-করায় নোটিস পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫% মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি ৭৫ শতাংশ কখন, কেমন করে মেটাতে হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গড়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ৭৫ শতাংশ ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে সেই কমিটির নির্দেশ মতো। বিচারপতি সঞ্জয় কারল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চ, পঞ্চম পে কমিশনের আওতায় ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জমে থাকা বকেয়া ডিএ-র সম্পূর্ণটা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল।












