বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে টলিউড অভিনেতা জিৎকে (Jeet) ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। ভোটের দিন বুথ থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। পরে সমাজমাধ্যমে নতুন বিজেপি সরকারকে শুভেচ্ছা জানানোর পর সেই কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। এরই মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অভিনেতার উপস্থিতি ঘিরে তৈরি হয় নতুন বিতর্ক।
কী জানালেন অভিনেতা (Jeet)?
দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে রাজনীতির বাইরে রাখা জিৎ কি তবে এবার রাজনৈতিক মঞ্চে পা রাখতে চলেছেন? প্রশ্ন উঠতে শুরু করে বিভিন্ন মহলে। এই পরিস্থিতিতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিনেতা। তাঁর আপ্ত সহায়কের মাধ্যমে পাঠানো লিখিত বার্তায় জিৎ জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পিছনে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই, শুধুই সৌজন্যবোধ কাজ করেছে।
জিৎ জানান, “জয়ী দল এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাঁকে সম্মান জানিয়ে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি।”
শপথ অনুষ্ঠানে সাদা পাঞ্জাবি ও গেরুয়া উত্তরীয় পরে হাজির হয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁকে মঞ্চে দেখেই উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, এতদিন কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে সরাসরি অংশ নিতে দেখা যায়নি তাঁকে। তাই হঠাৎ এই উপস্থিতিকে ঘিরে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসতে শুরু করে।
উল্লেখ্য, সমস্ত জল্পনায় নিজেই ইতি টানার চেষ্টা করেছেন জিৎ। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, রাজনৈতিক পালাবদলের এই ঘটনা তাঁর জীবনে নতুন নয়। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ও তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময়ও শুধুমাত্র সৌজন্যের খাতিরেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিনেতা।

আরও পড়ুন :‘সব বন্ধ করে দিন, ভদ্র হন’, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই কাদের হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু?
জিৎ আরও স্পষ্ট করেছেন, তাঁর কোনও রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তাই মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাকে কেন্দ্র করে অযথা রাজনৈতিক প্রসঙ্গ না টানার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।













