বাংলাহান্ট ডেস্ক : যুদ্ধের আবহে জ্বালানির ভাণ্ডারে ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একদিকে সিএনজির দাম বাড়ছে লাফিয়ে, অন্যদিকে এলপিজি গ্যাসের (Liquefied Petroleum Gas) দামও বেড়েছে। বুকিং করলেও গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ উঠছে। বাড়তি টাকা দিলেও সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগ উঠছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ শিল্পে ইতিমধ্যেই প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনকি পয়লা বৈশাখেও যুদ্ধের ছায়া পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।
পয়লা বৈশাখে পড়তে পারে গ্যাসের (Liquefied Petroleum Gas) ঘাটতির প্রভাব?
পয়লা বৈশাখ মানেই বাঙালির মিষ্টি আর হালখাতা। এই দিনে ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ করানো অনেক দোকানেরই রীতি। এই উপলক্ষে আগে থেকেই অর্ডার দিতে হয় মিষ্টির। উপরন্তু পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে প্রায় সমস্ত মিষ্টির দোকানেই প্রস্তুতি থাকে তুঙ্গে। কিন্তু এবছর গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় আগে থেকে মিষ্টির বরাত দেওয়ার আগে দুবার ভাবছেন অনেকে।

কী বলছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা: পরিস্থিতি এমনই যে অনেকে মনে করছেন, এবছর যদি গ্যাসের যোগান স্বাভাবিক না হয় তবে হয়তো মিষ্টি ছাড়াই এবার পয়লা বৈশাখ পালন করতে হতে পারে। মিষ্টি ব্যবসায়ীদের সূত্রে খবর, চলতি মাসের গোড়ায় ডিলারদের তরফে জানানো হয়, বাড়ির রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দেওয়া হবে। তারপর দোকানদারদের কমার্শিয়াল গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন : বৃহস্পতিবার থেকেই বসছে সারচার্জ, জ্বালানির ঘাটতিতে ভাড়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত বিমান সংস্থাগুলির
গ্যাস ছাড়া দোকান অচল: বর্তমানে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের (Liquefied Petroleum Gas) চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কিছু কিছু ডিলার নাকি বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধই করে দিয়েছেন। এদিকে বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে কাঠের আগুনে জ্বাল দেওয়া অনেকদিন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গ্যাস ছাড়া মিষ্টির দোকান এখন প্রায় অচল হতে বসেছে।
আরও পড়ুন : গ্যাসের চিন্তায় নাজেহাল, OTP-র আশায় বসে থাকবেন না, এভাবে হোয়াটসঅ্যাপে বুক করুন সিলিন্ডার
শোনা যাচ্ছে, কমার্শিয়াল গ্যাস সিলিন্ডারে ঘাটতি দেখা দিতেই বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে কচুরি, সিঙারার মতো নোনতা খাবার তৈরি বন্ধ করে দিয়েছে। অনেকে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কয়লা বা ডিজেলের উনুন তৈরির কথা ভাবছেন।
















