বাংলাহান্ট ডেস্ক : এবার আর ‘জোড়াফুলে ছাপ’ নয়। আসন্ন উপনির্বাচনের আগেই দলীয় প্রতীক হাতছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জোড়াফুল প্রতীক পেল না বিদ্রোহী ঋত-শিবিরও। বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, জোড়াফুল আপাতত মমতা বা ঋতব্রত- কোনও শিবিরই ব্যবহার করতে পারবে না। আসল তৃণমূল (Trinamool Congress) কার, সেই সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় চূড়ান্ত হওয়ার পরেই প্রতীক হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই দ্বন্দ্বে আপাতত অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
তৃণমূলের (Trinamool Congress) প্রতীক হাতছাড়া মমতার
বৃহস্পতিবার কমিশন জানিয়েছে, কোনও পক্ষকেই আপাতত আসল তৃণমূলের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামটিও আপাতত তাঁরা ব্যবহার করতে পারবে না। আলাদা আলাদা নাম বেছে নিতে হবে দুই শিবিরকে। বেছে নিতে হবে আলাদা প্রতীকও। দীর্ঘ ২৮ বছর পর জোড়াফুল প্রতীক ছাড়াই নির্বাচন হবে বাংলায়।

দল ভেঙেছে মমতার: প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে গোহারান হারার পর অনেক ক্ষতিই হয়েছে মমতার। এতদিনের দল ভেঙে দু টুকরো হয়ে গিয়েছে। মমতার স্থির করে দেওয়া বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে টপকে বিদ্রোহীরা নতুন বিরোধী দলনেতা বানিয়েছেন ঋতব্রতকে। নতুন জাতীয় কর্মসমিতিও গড়েছে ঋত তৃণমূল।
আরও পড়ুন : বাঙাল বাড়ির ইলিশের মাথা দিয়ে কচুর শাকের রেসিপি, মুখে লেগে থাকবে স্বাদ
কী নির্দেশ কমিশনের: আসল-নকল তৃণমূলের (Trinamool Congress) দ্বন্দ্বের মীমাংসায় গত শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ঋত শিবির আশাবাদী ছিল, জোড়াফুল প্রতীক তাঁদের দখলে আসবে। এর মাঝেই ঘোষণা হয় উপনির্বাচনের দিনক্ষণ। আর এবার প্রতীক দ্বন্দ্বে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল কমিশন।
আরও পড়ুন : যাত্রীদের সুবিধা আরও বাড়াল রেল, RailOne-এ টিকিট বুকিং নিয়ে এল বড় আপডেট
উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে নন্দীগ্রাম এডং রেজিনগরে প্রার্থী যথাক্রমে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রবিউল আলম চৌধুরী। অন্যদিকে ঋত শিবিরের নন্দীগ্রামে প্রার্থী মহম্মদ এহেতাশ মূল হক এবং রেজিনগরে প্রার্থী শেখ সফিউদ্দিন জামান।













