বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে জেলায় জেলায় চলছে যুবসাথী প্রকল্পের (Yuvasathi Application) ক্যাম্প। লম্বা লাইন দিয়ে ফর্ম তোলার পাশাপাশি অনলাইনের মাধ্যমেও বহু মানুষ এই ফর্ম ফিলাপ করছেন। জানা যায় প্রথম দু দিনে প্রায় ১৩ লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তবে আবেদন করলেও আপনি যুবসাথী প্রকল্পের টাকা নাও পেতে পারেন। এবার প্রশ্ন আসতে পারে কেন? কোন ভুলের জন্য হাতছাড়া হতে পারে এই টাকা তা জেনে নিন।
ছোট ভুলেই রিজেক্ট, যুবসাথী আবেদন নিয়ে বড় আপডেট (Yuvasathi Application)
এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন আবেদনকারীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে যে, যুবসাথী (Yuvasathi Application) ফর্মে ভুল থাকলে তা সরাসরি বাতিল বা রিজেক্ট হয়ে যাবে না তো! আসার কথা হল, সামান্য ভুল থাকলে সরাসরি ফর্ম বাতিল হবার সম্ভাবনা খুবই কম রয়েছে। তবে অফলাইনে জমা পরা ফর্ম গুলি যখন সরকারি পোর্টালে এন্ট্রি করা হবে তখন যদি আধিকারিকেরা জমা দেওয়া জেরক্স কপি ও ফার্মে দেওয়া সত্যতা যাচাই করেন।

আরও পড়ুন: শনিবার বাজারে হলুদ ধাতুর দর হু হু করে কমছে! আজ সোনা-রুপো কিনলে কত খরচ হবে জানেন?
যদি তথ্যে কোন ভুল পাওয়া যায় তাহলে সাধারণ ডিসপুট বা অবজারভেশন এর তালিকায় রাখা হয়। অর্থাৎ আবেদনকারীকে পরবর্তীতে সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতে পারে, একেবারে বাতিল না করিয়ে।
আবেদন করার সময় বেশ কিছু তথ্য মাথায় রাখা উচিত:
১) আপনি যখন আবেদন করছেন তখন যাতে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মতোই এই স্কিমেও সাধারণত সিঙ্গেল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা একক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয়। অনেকে ভুল করে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য দিয়েছেন। তাছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিংক করা মোবাইল নম্বর না দেওয়া আরো একটি বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২) পাসপোর্ট সাইজের ছবির উপরে সাদা অংশে স্বাক্ষর করতে অনেকে ভুলে যাচ্ছেন। ফর্মের নির্দিষ্ট জায়গায় অনেকে আবার স্বাক্ষর করছেন না।
৩) বয়সের প্রমাণপত্র হিসাবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিড কার্ডের বদলে আধার কার্ডের তথ্য দেওয়া অথবা নির্দিষ্ট cut of তারিখ অনুযায়ী বয়সের হিসেব না করে ভুল বয়স লেখা।
৪) বর্তমান প্রেসার কলমে অনেকেই টিচার লিখছেন। যা বিভ্রান্ত তৈরি করছে।
৫) ইমেইল আইডি ভুল ফরম্যাটে দেওয়া। অথবা কাজ সার্টিফিকেট নম্বর ভুল লেখা এবং ফর্মে হোয়াইটনার ব্যবহার করা।
কিভাবে স্ট্যাটাস দেখবেন ও তার পরবর্তী পদক্ষেপ:
যাঁরা অনলাইনে ফর্ম পূরণ করেছেন, তাঁরা ‘বাংলা যুবসাথী’ পোর্টালে গিয়ে লগ-ইন করে স্ট্যাটাস দেখতে পারেন। সেখানে ফোন নম্বর এবং ওটিপি দিলেই দুয়ারে সরকারের ২৫ সংখ্যার রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি দেখা যাচ্ছে। এরপর অফলাইনে আবেদনকারীদের জন্য স্ট্যাটাস দেখার প্রক্রিয়াটি এখনও পুরোপুরি মসৃণ নয়। অনেকে ওটিপি দেওয়ার পর পুনরায় ফর্ম ফিলাপের নির্দেশ পাচ্ছেন, যা আদতে একটি বিভ্রান্তি হতে পারে।
সমাধান: যদি আপনার ফর্মে কোনো ভুল থেকে থাকে এবং অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করার পর ‘অবজেকশন’ বা ‘ডিসপুট’ দেখায়, তবে চিন্তিত হবেন না। ভবিষ্যতে ব্লক অফিসে গিয়ে বা অনলাইন এডিট অপশন চালু হলে তা সংশোধন করা সম্ভব হবে। তাই ছোটখাটো ভুলের জন্য এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। সরকারের নির্দেশিকার ওপর নজর রাখুন ও প্রয়োজনে স্থানীয় বিডিও বা এসডিও অফিসে যোগাযোগ করুন (Yuvasathi Application)।













