বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কিছুদিন আগেই কলকাতা শহরের একাধিক রেস্তোরা-হোটেলে সারপ্রাইজ চেকআপ শুরু হয়েছিল কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) খাদ্য সুরক্ষা দফতরের। যার ফলে খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধির নিয়ম লঙ্ঘন করার অভিযোগে এক ধাক্কায় বন্ধ হয়ে করে দেওয়া কলকাতা শহরের ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের দরজা। এই অভিযান শেষ হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ পার হয়ে গিয়েছে। আর তারপর পুজোর মুখে কলকাতা পৌরসভা কর্তৃক স্থগিতাদেশ পাওয়া এই ৭০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ১৯ টি প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার ছাড়পত্র পেয়েছে।
পুজোর আগেই ফের চালু বন্ধ হওয়া ১৯টি রেস্তোরা-হোটেল
সম্প্রতি খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের (Food & Safety Department) তরফে নির্দিষ্ট কিছু হোটেল রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি তদের ফুড লাইসেন্সের ওপরেও স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই রেস্টুরেন্টগুলি পুনরায় চালু করার আবেদন জানানো হয়। তড়িঘড়ি আবেদন পক্রিয়াও শুরু হয়ে যায়।
আবেদন জমা পড়তেই কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে পুনরায় তদন্ত শুরু করা হয়। ওই তদন্ত চলাকালীন যে সমস্ত রেস্টুরেন্ট প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও সংশোধনী নিয়ম মিনি কাজ করেছিল তাদেরকে পুনরায় ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়। জানা হচ্ছে কলকাতা পৌরসভার নির্দেশ অনুযায়ী ওই বিশেষ অভিযান শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহ পর কলকাতা শহরে মোট ১৯ টি রেস্টুরেন্ট পুনরায় ব্যবসা করার অনুমতি পেয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘জেরার প্রয়োজন নেই, যে মামলায় ইচ্ছা তোলা যায়…’ হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে বিস্ফোরক সজল ঘোষ
যদিও এখনো পর্যন্ত প্রায় ৫০ টি রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখা হয়েছে। কারণ তারা এখনো পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি। জানা আছে কলকাতা পৌরসভার নির্দেশে পুনরায় যে সমস্ত রেস্টুরেন্ট গুলি চালু হতে চলেছে তার মধ্যে বেশ কিছু নামীদামী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা সঠিক সময়মতো তাদের ত্রুটিগুলি শুধরে নিয়েছে।
যার মধ্যে অন্যতম, মির্জা গালিব স্ট্রিটের নিজাম’স, করিম’স এবং দমদম নগরবাজারের আরসালান আউটলেট। এছাড়াও পুজোর আগেই আরও অনেক প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সোমবার, চায়নাটাউনের ‘বিগ বস’ পুনরায় দোকান খোলার জন্য আবেদন জনিয়েছেন।
প্রসঙ্গত খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের তরফে আয়োজিত এই বিশেষ অভিযানটি শুরু হয়েছিল ১ সেপ্টেম্বর থেকে এবং যা শেষ হয় ৭ সেপ্টেম্বর। কেএমসি সূত্রে খবর, গত সপ্তাহ পর্যন্ত পুনরায় খোলার জন্য আবেদনকারী ২০টি খাবারের দোকানের মধ্যে ১৯টি পরিদর্শন করে কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও বাদবাকি ৫০টি খাবারের দোকান গুলির মধ্যে অধিকাংশই তাদের দোকান আবার চালু করার অনুমতি পাওয়ার জন্য এখনও পর্যন্ত কেএমসির কাছে কোন রকম আবেদন করেনি।














