বাংলা হান্ট ডেস্ক:রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police) প্রশাসনে বড় রদবদল আসলো। এর আগে ২৭ নভেম্বর রাজ্য পুলিশে বড়সড় বদল আনা হয়েছিল। দশ জন পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয় সে সময়। পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) পুলিশ সুপার ছিলেন সৌম্যজিৎ ভট্টাচার্য, পরে তাকে বদলি করে বাঁকুড়ার এসপি করে পাঠানো হয়। তারপর থেকেই শূন্য ছিল মেদিনীপুর পুলিশ সুপারের পদ।
রাজ্য পুলিশে (West Bengal Police) হলো বড় রদবদল:
আবার রাজ্য পুলিশে, ২৩ জন অফিসারের বদলি করা হলো। হাওড়ার ডিসি ট্রাফিক থেকে অসীম খানকে পাঠানো হলো ব্যারাকপুরের ডিসি উত্তর করে। অন্যদিকে ব্যারাকপুরের ডিসি উত্তর থেকে আবার গণেশ বিশ্বাস কে পাঠানো হলো হাওড়ার ডিসি দক্ষিণ করে। সুরিন্দর সিংকে হাওড়ার ডিসি দক্ষিণ থেকে তিন নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার করে পাঠানো হলো।
অনুপম সিংহ ব্যারাকপুরে ডিসি দক্ষিণ ছিলেন। তাকে হাওড়া ডিসি ট্রাফিক করা হলো। অন্যদিকে ব্যারাকপুরের ডিসি সাব-আর্বান ছিলেন জয় টুডু। তিনি হোম গার্ড অর্গানাইজেশনের সিনিয়র স্টাফ অফিসারের দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্যদিকে এই পদে এতদিন ছিলেন পাপিয়া সুলতানা, তাকে ব্যারাকপুরের ডিসি সাব-আর্বান করে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:‘আমার ছেলে তৃণমূল করে’, ‘জঙ্গি’ উমরের মায়ের দাবিতে শোরগোল
পশ্চিম মেদিনীপুরে অ্যাডিশনাল এসপি ট্রাফিক করে পাঠানো হয়েছে আসানসোল দুর্গাপুরের দায়িত্বে থাকা সুব্রত দেবকে। দার্জিলিংয়ে গোর্খা ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার হলেন অংশুমান সাহা। পশ্চিম মেদিনীপুরের অ্যাডিশনাল এসপি ট্রাফিক ছিলেন মনোরঞ্জন ঘোষ। তাকে বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেটের অ্যাডিশনাল ডিসি করা হয়েছে। রানাঘাটের অ্যাডিশনাল এসপি হলেন কৃষ্ণ গোপাল মিনা। কৃষ্ণনগরের (গ্রামীণ) অ্যাডিশনাল এসপি হলেন সুরজিৎ কুমার দে। পূর্ব বর্ধমানের অ্যাডিশনাল এসপি ট্রাফিক হলেন লালটু হালদার। খড়্গপুরের অ্যাডিশনাল এসআরপি হলেন মিতুন কুমার দে। বনগাঁর এসডিপিও হলেন অভিষেক যাদব।
আরও পড়ুন:SIR-এর কারণে অনিশ্চিত শুনানি, কোর্ট রুমে নেই বিচারক, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

অন্যদিকে প্রায় তিন মাস ধরে ফাঁকা থাকার পর পুলিশ সুপারের পদে কাউকে আনা হলো পূর্ব মেদিনীপুরে। কোচবিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দূতিম্যান ভট্টাচার্যকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে মিতুন দে কে, পূর্ব মেদিনীপুরে অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ছিলেন। এবার ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি করে পাঠানো হলো পারিজাত বিশ্বাসকে। তিনি এতদিন পুরুলিয়া ১১ ব্যাটেলিয়ানের কম্যান্ড্যান্ট ছিলেন।












