স্কুলছাত্রীদের জন্য ৩ দিনের পিরিয়ড লিভ, বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

Published on:

Published on:

3-day period leave for school students, big announcement by state government
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন প্রশাসন গঠন হতেই নারী ও শিশুদের স্বার্থে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে সরকার (State Government)। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র সব জায়গায় নারীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে একের পর এক নীতি কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নারীদের জন্য বড় পদক্ষেপ রাজ্যের (State Government)

সরকারি ঘোষণায় জানানো হয়েছে, স্কুলছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে ঋতুস্রাবকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুবিধার জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ডে কেয়ার সেন্টার এবং ক্রেশ ব্যবস্থাও বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেরলে সরকারের পালাবদলের পরই মহিলাদের জন্য নানান গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট।

এই প্রসঙ্গে কেরল বিধানসভায় রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর সরকারের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ‘মেনস্ট্রুয়াল ডিগনিটি নামে প্রোজেক্টে ছাত্রীদের জন্য কাজ করাই সরকারের উদ্দেশ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ যে কোনও স্থানে যাতে মহিলা এবং শিশুদের কোনওরকম সমস্যা না হয়, সেটা দেখাই সরকারের কর্তব্য।’

তিনি আরও জানান সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন,’আমাদের সরকার পরিকল্পনা করেছে, স্কুল ছাত্রীদের জন্য ৩ দিন ঋতুস্রাবকালীন ছুটি দেওয়া হবে। এই ৩ দিনে তারা যে পঠনপাঠন মিস করবে, তার জন্য উইকএন্ড ক্লাস করতে পারবে ছাত্রীরা। যাতে কোনও ভাবেই তারা পিছিয়ে না পড়ে।’ প্রসঙ্গত, ১৯৬১ সালের মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইনের আওতায় শিশুদের দেখভালের জন্য নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। সেই আইনে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ৫০ শতাংশের বেশি মহিলা কর্মী থাকলে ডে কেয়ার ও ক্রেশ সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক হবে বলে জানা যাচ্ছে।

3-day period leave for school students, big announcement by state government

আরও পড়ুন :সরকারি কাজে গাফিলতি করলেই ‘শাস্তিমূলক পদক্ষেপ’, কড়া নির্দেশ রাজ্যের

দত্তক গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ করতে ক্যাম্পেইন চালু করা হবে।একই সঙ্গে সমান কাজের জন্য সমান বেতন, শহরাঞ্চলে পাবলিক রেস্টরুম নির্মাণ এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত মহিলাদের জন্য ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসনের লক্ষ্য কেরলকে দেশের মধ্যে সবচেয়ে নারী-বান্ধব রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলা। সেই উদ্দেশ্যে সামাজিক নিরাপত্তা ও সমতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন সরকারের এই একাধিক সিদ্ধান্ত কেরলের সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।