CNN-সহ ৩ সংবাদমাধ্যমে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা! প্রতিবাদে প্রেসিডেন্টের কভারেজ বন্ধ ৪ বড় মার্কিন নেটওয়ার্কের

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে সে দেশের সংবাদমাধ্যমের সংঘাত এবার নতুন মাত্রা পেল। CNN, MS NOW এবং Politico-কে হোয়াইট হাউস  (White House) থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই প্রতিবাদে সরব হয়েছে দেশের বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলি। সোমবার Fox News Media, ABC News, CBS News এবং NBC News জানিয়ে দিয়েছে, তারা আপাতত প্রেসিডেন্টের ‘রোটেটিং টিভি পুল’-এর আওতায় থাকা অনুষ্ঠানগুলির যৌথ ভিডিও কভারেজে অংশ নেবে না। CNN-সহ পাঁচটি নেটওয়ার্কের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের বিষয়ে সঠিক ও স্বাধীন তথ্য পাওয়ার অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে এবং কোনও প্রশাসন কোনও সংবাদমাধ্যমের খবর বা প্রতিবেদনে আপত্তি জানিয়ে তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া উচিত নয়।

৩ সংবাদমাধ্যমে ট্রাম্পের (Donald Trump) নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বড় পদক্ষেপ ৪ বড় মার্কিন নেটওয়ার্কের

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষণা করেন, CNN, MS NOW এবং Politico-কে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। তাঁর অভিযোগ ছিল, এই সংবাদমাধ্যমগুলি তাঁর সম্পর্কে ‘ফেক নিউজ’ প্রকাশ করে। পরের দিন তিন সংস্থার সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসের প্রবেশপথ থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং তাঁদের প্রেস পাসও নিষ্ক্রিয় করা হয়। সোমবার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। CNN, MS NOW এবং Politico এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দাবি করে, তাদের হোয়াইট হাউস থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সংবাদমাধ্যমের সাংবিধানিক অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী।

আরও পড়ুন:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সে দেশের সংবাদমাধ্যমের সংঘাত এবার নতুন মাত্রা পেল। CNN, MS NOW এবং Politico-কে হোয়াইট হাউস থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই প্রতিবাদে সরব হয়েছে美国ের বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলি। সোমবার Fox News Media, ABC News, CBS News এবং NBC News জানিয়ে দিয়েছে, তারা আপাতত প্রেসিডেন্টের ‘রোটেটিং টিভি পুল’-এর আওতায় থাকা অনুষ্ঠানগুলির যৌথ ভিডিও কভারেজে অংশ নেবে না। CNN-সহ পাঁচটি নেটওয়ার্কের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের বিষয়ে সঠিক ও স্বাধীন তথ্য পাওয়ার অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে এবং কোনও প্রশাসন কোনও সংবাদমাধ্যমের খবর বা প্রতিবেদনে আপত্তি জানিয়ে তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া উচিত নয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। ট্রাম্প ঘোষণা করেন, CNN, MS NOW এবং Politico-কে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। তাঁর অভিযোগ ছিল, এই সংবাদমাধ্যমগুলি তাঁর সম্পর্কে ‘ফেক নিউজ’ প্রকাশ করে। পরের দিন তিন সংস্থার সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসের প্রবেশপথ থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং তাঁদের প্রেস পাসও নিষ্ক্রিয় করা হয়। সোমবার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। CNN, MS NOW এবং Politico এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দাবি করে, তাদের হোয়াইট হাউস থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সংবাদমাধ্যমের সাংবিধানিক অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী।

এর পরেই সামনে আসে প্রেসিডেন্টের টেলিভিশন ‘পুল’ ব্যবস্থা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরে ABC, CBS, CNN, Fox এবং NBC পালা করে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সফর ও কর্মসূচির ভিডিও ধারণ করে থাকে। নির্দিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক সেই দিনের দায়িত্বে থেকে ক্যামেরা ও ভিডিও ফিড তৈরি করে, যা পরে অন্য সংবাদমাধ্যমগুলিও ব্যবহার করতে পারে। সোমবার CNN-এর সেই দায়িত্ব ছিল। কিন্তু হোয়াইট হাউসের সিদ্ধান্তের কারণে CNN দায়িত্ব পালন করতে না পারায় বাকি চার নেটওয়ার্কও তার জায়গায় নতুন কোনও সংস্থা পাঠাতে রাজি হয়নি। ফলে ওই দিনের জন্য প্রেসিডেন্টের টিভি পুল কভারেজই স্থগিত হয়ে যায়। তবে কংগ্রেস, ভাইস প্রেসিডেন্ট বা অন্যান্য সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে পুল কভারেজ এবং অন্যান্য সংবাদ সংগ্রহ স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে বিষয়টি শুধুমাত্র টেলিভিশন ফুটেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। CNN, MS NOW এবং Politico আদালতে যাওয়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে ট্রাম্প তাঁর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে বলেছেন, এটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয়; বরং তিনি যেসব সংবাদমাধ্যমকে ‘ফেক নিউজ’ বলে মনে করেন, তাদের বিশেষ সুবিধা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করে বলেছেন, প্রশাসন সংবাদমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করছে না, বরং বিশেষ প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে। ফলে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহের অধিকার, প্রশাসনের দেওয়া প্রবেশাধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের সাংবিধানিক স্বাধীনতা—এই তিনটি বিষয় এখন একই বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সংঘাত অবশ্য নতুন নয়। তাঁর প্রথম মেয়াদেও CNN-এর সাংবাদিক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস ক্রেডেনশিয়াল বাতিলের ঘটনা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল এবং আদালতের নির্দেশের পর অ্যাকোস্টার প্রবেশাধিকার ফিরে পান। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে Associated Press-এর সঙ্গেও হোয়াইট হাউসের সংঘাত হয়েছে। ‘Gulf of America’ নাম ব্যবহারের বিষয়ে প্রশাসনের নির্দেশ অনুসরণ না করার পর AP-এর হোয়াইট হাউস কভারেজে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, যা নিয়েও আইনি লড়াই হয়। এবার CNN, MS NOW ও Politico-কে ঘিরে নতুন মামলা এবং পাঁচটি প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্কের পুল কভারেজ স্থগিত করার ঘটনায় সেই পুরনো বিতর্কই ফের সামনে এসেছে—প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক কতটা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবে, আর স্বাধীন সাংবাদিকতার সীমা কোথায়, তা নিয়েই এখন মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 আরও পড়ুন: তৈরি হতে চলেছে আরও একটি বিমানবন্দর! কোচবিহারে গিয়ে কী ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

এর পরেই সামনে আসে প্রেসিডেন্টের টেলিভিশন ‘পুল’ ব্যবস্থা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরে ABC, CBS, CNN, Fox এবং NBC পালা করে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সফর ও কর্মসূচির ভিডিও ধারণ করে থাকে। নির্দিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক সেই দিনের দায়িত্বে থেকে ক্যামেরা ও ভিডিও ফিড তৈরি করে, যা পরে অন্য সংবাদমাধ্যমগুলিও ব্যবহার করতে পারে। সোমবার CNN-এর সেই দায়িত্ব ছিল। কিন্তু হোয়াইট হাউসের সিদ্ধান্তের কারণে CNN দায়িত্ব পালন করতে না পারায় বাকি চার নেটওয়ার্কও তার জায়গায় নতুন কোনও সংস্থা পাঠাতে রাজি হয়নি। ফলে ওই দিনের জন্য প্রেসিডেন্টের টিভি পুল কভারেজই স্থগিত হয়ে যায়। তবে কংগ্রেস, ভাইস প্রেসিডেন্ট বা অন্যান্য সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে পুল কভারেজ এবং অন্যান্য সংবাদ সংগ্রহ স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে বিষয়টি শুধুমাত্র টেলিভিশন ফুটেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। CNN, MS NOW এবং Politico আদালতে যাওয়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে ট্রাম্প তাঁর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে বলেছেন, এটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয়; বরং তিনি যেসব সংবাদমাধ্যমকে ‘ফেক নিউজ’ বলে মনে করেন, তাদের বিশেষ সুবিধা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করে বলেছেন, প্রশাসন সংবাদমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করছে না, বরং বিশেষ প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে। ফলে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহের অধিকার, প্রশাসনের দেওয়া প্রবেশাধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের সাংবিধানিক স্বাধীনতা—এই তিনটি বিষয় এখন একই বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে।

4 Major US networks take major steps to protest Donald Trump ban on media

আরও পড়ুন: বাংলায় তৈরি হবে মিনি ‘বনতারা’, আম্বানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে এল শিল্প সম্ভাবনা

ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সংঘাত অবশ্য নতুন নয়। তাঁর প্রথম মেয়াদেও CNN-এর সাংবাদিক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস ক্রেডেনশিয়াল বাতিলের ঘটনা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল এবং আদালতের নির্দেশের পর অ্যাকোস্টার প্রবেশাধিকার ফিরে পান। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের সঙ্গেও হোয়াইট হাউসের সংঘাত হয়েছে। ‘গাল্ফ অফ আমেরিকার রেক’ নাম ব্যবহারের বিষয়ে প্রশাসনের নির্দেশ অনুসরণ না করার পর AP-এর হোয়াইট হাউস কভারেজে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, যা নিয়েও আইনি লড়াই হয়। এবার CNN, MS NOW ও Politico-কে ঘিরে নতুন মামলা এবং পাঁচটি প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্কের পুল কভারেজ স্থগিত করার ঘটনায় সেই পুরনো বিতর্কই ফের সামনে এসেছে—প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক কতটা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবে, আর স্বাধীন সাংবাদিকতার সীমা কোথায়, তা নিয়েই এখন মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।