নাম প্রস্তাব করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন নীতীন নবীন

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিহারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী নীতীন নবীন (Nitin Nabin)। সোমবার দলের জাতীয় রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেন। ৪৫ বছর বয়সী নবীন আগামী ২০ জানুয়ারি দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে নতুন দায়িত্বে শপথ নেবেন। এই অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন।

বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন নীতিন নবীন (Nitin Nabin)

গত ডিসেম্বরে নীতীন নবীনকে বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল, যা ইতিমধ্যেই তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বাভাস দিয়েছিল। জেপি নাড্ডা ২০২০ সাল থেকে এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বভারতীয় সভাপতি পদে নবীনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান-বাংলাদেশ নয়! এবার এই দেশের বিদেশমন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাদে মদত না দেওয়ার বার্তা জয়শঙ্করের

দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দেশের ৩৬টি রাজ্যের নির্বাচিত ৩০ জন রাজ্য সভাপতির পক্ষ থেকে নীতীন নবীনের পক্ষে মোট ৩৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছিল। সমস্ত মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় তাঁকে সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

নীতীন নবীন বর্তমানে বিহার সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পাটনার বাঁকিপুর আসন থেকে আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারীকে ৫১ হাজার ভোটের বেশি ব্যবধানে পরাজিত করেন। তাঁর সংগঠনিক দক্ষতা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাই তাঁকে দলের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Nitin Nabin has become the new national president of the BJP.

আরও পড়ুন: পাকিস্তান-বাংলাদেশ নয়! এবার এই দেশের বিদেশমন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাদে মদত না দেওয়ার বার্তা জয়শঙ্করের

এই নিয়োগকে বিজেপির জাতীয় রাজনীতিতে একটি নতুন পর্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। নবীন তাঁর যুবনেতার ভাবমূর্তি এবং বিহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে সরকারি অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছেন। আগামী ২০ জানুয়ারি শপথগ্রহণের পর থেকেই তিনি দলের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হবেন এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।