বাংলাহান্ট ডেস্ক : লিওনেল মেসির যুবভারতী কাণ্ডের ৩৭ দিন পর অবশেষে জামিন পেলেন ‘লিওনেল মেসি গোট ট্যুর এর আয়োজক শতদ্রু দত্ত। আর তাঁর জামিন মঞ্জুর হওয়ার দিনই মেসি এবং ডিয়েগো মারাদোনার মূর্তি নিয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এই দুটি মূর্তি সরকারি জমিতে তৈরি হয়েছে কিনা তা নিয়ে এবার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে হাইকোর্ট।
মেসি মারাদোনার মূর্তি নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টের (Calcutta High Court)
লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে লিওনেল মেসি এবং মারাদোনার মূর্তি। এই মূর্তি বসানো নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন স্বদেশ মজুমদার। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন নির্দেশ দেয়, তিন সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত তথ্য জমা করতে হবে আদালতে।

কী প্রশ্ন আদালতের: মূর্তিগুলি সরকারি জমিতে তৈরি কিনা এবং তার জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা তা জানাতে হবে রিপোর্টে (Calcutta High Court)। ২০১৭ সালে কলকাতায় ১২ ফুট উচ্চতার ব্রোঞ্জের মারাদোনার মূর্তি উদ্বোধন করা হয়। এরপর ২০২৫ সালে লেকটাউন এলাকায় বসানো হয় মেসির মূর্তি।
আরও পড়ুন : বাতাসে মিশেছে ‘বিষ’, কলকাতার দূষণ নিয়ে এবার নজিরবিহীন উদ্যোগ নিল কলকাতা হাইকোর্ট
আগেও উঠেছে প্রশ্ন: এই মূর্তির আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল শুরু থেকেই। জনস্বার্থ মামলার আবেদনকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য অনুসারে জনতার চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে সরকারি জমিতে কোনও মূর্তি স্থাপন করা যায় না। এ বিষয়ে এর আগে যুবভারতী কাণ্ডের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছিলেন, সরকারি জমিতে মূর্তিগুলি বসানো হয়েছে নাকি কোনও ব্যক্তিগত জমিতে?
আরও পড়ুন : পাহাড়ি জঙ্গুলে পথ দিয়ে আকর্ষণীয় টয়ট্রেন সফর, কোন সময়ে ছাড়বে? রইল টাইম টেবিল
ওই শুনানিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে বলেছিলেন, এই প্রকল্পের জন্য আগে থেকেই ৬৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, এত বড় অঙ্কের টাকা কীভাবে বরাদ্দ হল। সে সময় বিরোধী দলনেতার আইনজীবী আরও বলেছিলেন, রাস্তার ধারে মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত নেতা কীভাবে এমন উদ্যোগ নিলেন তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এই অভিযোগ শুনেই কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, সরকারি জমিতে লিওনেল মেসি এবং মারাদোনার মূর্তি বসানো হয়েছে কিনা তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট রাজ্য সরকার এবং দমদম পুরসভার কাছে চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত।













