বাংলা হান্ট ডেস্ক: কেটে গেছে প্রায় ৪ দিন। এখনো আনন্দপুর (Anandapur) অগ্নিকাণ্ডে খোঁজ পাওয়া যায়নি বহু মানুষের। তবে এই ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসকে। অগ্নিকাণ্ড ঘটার প্রায় ৪৮ ঘন্টা পর গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাকে আটক করে। পূর্ব মেদিনীপুরের বাড়ি থেকে অভিযুক্তকে ধরা হয়। সূত্রের খবর তদন্তে নেমে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের একটি দল মেদিনীপুরে হানা দেয়। তখনই গঙ্গাধর দাসকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখে আটক করা হয়। পরে বারুইপুর জেলা পুলিশের তরফে তাকে গ্রেফতারের কথা জানানো হয়েছে।
নিখোঁজের সংখ্যা বাড়ছে, আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার মালিক (Anandapur)
মোমো সংস্থার ঘাড়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দায়ের চাপিয়েছে গোডাউনের মালিক। সূত্রের খবর, বুধবার গঙ্গাধর দাসকে বারুইপুর মহকুমার আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, যে গোডাউনে আগুন লেগেছে সেখানে পুরো জমিটাই ছিল গঙ্গাধর দাসের। মোমো কোম্পানি ডেকোরেটরসের গোডাউন লিজে নিয়েছিল। যদিও আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের (Anandapur) পর গা ঢাকা দেন গঙ্গাধর দাস।

আরও পড়ুন: মেরামতির কাজ শেষ, ২৮ জানুয়ারি থেকে স্বাভাবিক যান চলাচল সোদপুর রেল ওভারব্রিজে
প্রসঙ্গত মঙ্গলবার রাতে, ঘটনাস্থল থেকে আরও তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে মোট ১১ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। নিখোঁজ ১৫ জনের বেশি।
তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনো পর্যন্ত ১৫ জনের পরিবারের তরফে নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে মঙ্গলবার নতুন করে একটি নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এদিকে এই ঘটনায় রাজ্যের তরফ থেকে ইতিমধ্যে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি মৃত পরিবারদের পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। আনন্দপুর (Anandapur) অগ্নিকাণ্ড ঘটনায় মঙ্গলবার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এ কথা জানিয়েছেন। এছাড়াও দেহ বাদ দিয়ে আমি শেষনাক্তকরণ হলেই পরিবারের হাতে চেক তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী।

















