শিক্ষক নিয়োগ মামলার তদন্তে নতুন মোড়! কুন্তল ঘোষ-মণীশ জৈনকে ফের তলব ED-র

Published on:

Published on:

Recruitment Scam ED summons Kuntal Ghosh and Manish Jain again
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আবারও নতুন তদন্ত শুরু হয়েছে। এই মামলায় তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ এবং শিক্ষা দপ্তরের প্রাক্তন সচিব মণীশ জৈনকে ফের তলব করেছে ED। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই জেরার মাধ্যমে মামলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) ফের তৎপরতা

জানা যাচ্ছে, এসএসসি-র নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) সংক্রান্ত তদন্তেই এই তলব। এর আগে এই একই মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল ইডি। পাশাপাশি প্রায় ১০০ জনের বেশি চাকরিপ্রার্থী, যাঁরা টাকা দিয়েও চাকরি পাননি বলে অভিযোগ করেছেন, তাঁদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা।

এই মামলায় কুন্তল ঘোষের নাম প্রথম থেকেই গুরুত্বপূর্ণভাবে উঠে আসে। তদন্তকারীদের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকা লেনদেনে তিনি মূলত এক ধরনের ‘মিডলম্যান’ বা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছিলেন। অভিযোগ, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বহু প্রার্থীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছিল। সেই টাকার উৎস ও গতিপথ খুঁজতেই তদন্তকারীরা তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন।

২০২৩ সালে এই মামলায় কুন্তল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। জেলে থাকার সময় তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছে একটি ডায়েরি রয়েছে যেখানে দুর্নীতির টাকার লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য লেখা আছে কাকে কখন কত টাকা দেওয়া হয়েছে তাও নাকি সেখানে উল্লেখ রয়েছে। সেই দাবি ঘিরে সে সময় বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রায় ১৯ মাস পর ২০২৪ সালে তিনি জামিন পান। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, মামলার বিচার শেষ হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে, তাই এতদিন হেফাজতে রাখা ঠিক নয়।

SSC Recruitment Letest Update 22 january 2026

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড় চমক! পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে ২০ পরিবার BJP-তে

এদিকে তদন্তে কুন্তল ঘোষের বয়ান থেকেই উঠে আসে প্রাক্তন শিক্ষাসচিব মণীশ জৈনের নাম। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, নিয়োগ সংক্রান্ত (Recruitment Scam) বেশ কিছু নথিতে তাঁর সই রয়েছে। এর আগেও গ্রেপ্তার হওয়া অন্যান্য আধিকারিক এবং প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে মণীশ জৈনের বক্তব্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা হয়েছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, এবারও সেই পথেই এগোতে পারে জেরা। বিভিন্ন নথি ও আগের বয়ান মিলিয়ে দেখেই মামলার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।