৭০ হাজার টন থেকে কমে দাঁড়াল ২০ হাজার! যোগান নেই, বাজারে আগুন ইলিশের দাম

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ইলিশ রসনা লাটে ওঠার জোগাড়। নিম্নচাপের জেরে দীর্ঘদিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। ঘন ঘন দুর্যোগের জেরে ইলিশ (Hilsa Fish) তেমন উঠছেই না জালে। যোগান না থাকায় বাজারে ইলিশের দাম বেড়েই চলেছে। রূপোলি শষ্যের দামে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় ক্রেতাদের।

আবহাওয়ার কারণে নেই ইলিশ (Hilsa Fish)

কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি সূত্রে খবর, চলতি বছরের জুন থেকে অগাস্টের মধ্যে খারাপ আবহাওয়ার জেরে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন মৎস্যজীবীরা। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় অধিকাংশ ট্রলার মাছ ধরতে যেতেই পারেনি। যে ট্রলারগুলি সমুদ্রে গিয়েছিল সেগুলিও মাঝপথে ফিরতে বাধ্য হয়েছে।

Hilsa fish became very less for weather

এই সময়টাই ইলিশের উপযুক্ত: সাধারণত সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলে ইলিশের মরশুম। এখনও এক মাস হাতে রয়েছে। কিন্তু এই জুন থেকে অগাস্টের সময়টাই ইলিশ ধরার উপযুক্ত সময়। অথচ এই সময়টাতেই আবহাওয়ার কারণে ইলিশ ধরায় বাধা আসছে। চাহিদার অনুপাতে ইলিশের যোগান কম থাকায় দাম বাড়ছে হু হু করে।

আরও পড়ুন : মিলবে বর্ধিত DA, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে শীঘ্রই

ভারী বৃষ্টিতে নেই ইলিশ: মৎস্যজীবীদের মতে, ইলিশের (Hilsa Fish) জন্য হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত সঠিক। কিন্তু চলতি মরশুমে পরপর নিম্নচাপের জেরে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। উত্তাল সমুদ্রে যেতেই পারেনি ট্রলার। ফলত প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম মাছ ধরা পড়েছে।

আরও পড়ুন : গরম ভাত হোক বা পরোটা, দক্ষিণী স্টাইলে এমন চিকেন থাকলেই কেল্লাফতে, দেখে নিন রেসিপি

মাছ বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারী বৃষ্টি এবং নদী ও সমুদ্রের পরিস্থিতির পরিবর্তন উপকূল ও মোহনা অঞ্চলের দিকে ইলিশ চলাচলের উপরে o? ফেলেছে। গত বছর এই সময়টায় ৭০ হাজার টন ইলিশ উঠেছিল জালে। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ২০-২৫ হাজার টনে। আবহাওয়ার উন্নতি হলে ইলিশ আরও জালে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।