জ্বালানি নিয়ে চিন্তার আবহেই ভারতের ‘মাস্টারস্ট্রোক’! দেশে আর হবে না বিদ্যুতের সঙ্কট

Published on:

Published on:

With this step of the government, there will be no more power crisis.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে যুদ্ধের আবহে জ্বালানি নিয়ে রীতিমতো সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায়, বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা (Power Crisis) এবং গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে ভারত সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ভারতের নতুন ও রিনুয়েবল শক্তি প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ ​​নায়েক সংসদে জানিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে চলমান মার্কিন-ইজরায়েল সংঘাত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে। যার ফলে ভারতে গ্যাসের প্রাপ্তি ও দাম উভয়ই প্রভাবিত হয়েছে।

ভারতে আর হবে না বিদ্যুতের সঙ্কট (Power Crisis):

জানিয়ে রাখি যে, ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্র ২ শতাংশ গ্যাস থেকে আসে। কিন্তু গ্রীষ্মকালে এবং বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে দেশটি প্রায় ৮ গিগাওয়াট গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এমতাবস্থায়, গ্যাসের ঘাটতি বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর চাপ বাড়াতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায়, সরকার বায়ু শক্তি এবং ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থার অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে মেটানো সম্ভব হবে।

With this step of the government, there will be no more power crisis.

এই প্রকল্পগুলিও নিবিড় পর্যবেক্ষণের অধীনে রয়েছে: এদিকে, সরকার কয়লা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করছে। যেগুলি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, গ্রীষ্মকালে বর্ধিত চাহিদা মেটাতে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন: সুরা প্রেমীরা হয়ে যান সতর্ক! এপ্রিলে একাধিক দিন ‘ড্রাই ডে’, দেখুন তালিকা

এছাড়াও, গুজরাটে টাটা পাওয়ারের ৪ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আমদানি করা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণ ক্ষমতায় চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২০২৭-এর ODI বিশ্বকাপ হতে চলেছে আরও জমকালো! বিশেষ পরিকল্পনা ICC-র

সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে: রিপোর্ট অনুসারে, এই গ্রীষ্মে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ভারত বেশি করে কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুতের উপর নির্ভর করবে। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৭৫ শতাংশ আসে কয়লা থেকে তাই কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিকে পূর্ণ ক্ষমতায় চালানোর এবং কোনও ধরনের বন্ধ এড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সরকার শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে তাদের নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহিত করেছে। যাতে মূল গ্রিডের ওপর চাপ কমানো যায়।