বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজধানী দিল্লি গিয়ে ইন্ডি জোটের (INDI Alliance) বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে সুর চড়িয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে ২ তারিখ থেকে আগামী ৮ তারিখ পর্যন্ত বিরোধিতা করবেন তিনি। ইন্ডি জোটের হয়ে পথে নামবেন তারা। এবার সেই প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের (Bikash Ranjan Bhattacharya)।
বিরোধিতার নাটক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!
এদিন বাংলা হন্টের পক্ষ থেকে বামনেতা তথা আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের কাছে জানতে হয়েছিল রাজনৈতিকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি কতটা সক্রিয় বলে মনে করছেন? জবাবে বিকাশবাবু এটি স্পষ্ট বললেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর রাজনৈতিক জন্ম হয়েছিল শমীক ভট্টাচার্যের মতে এবং আমাদেরও সেই মত। যে লেবার রুমে সেখানে আদানি, আম্বানি এবং বাজপেয়ী ছিল।’
তারপরেই তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন দাবি করলেন, ‘মমতা তাঁদের নির্দেশে এইসব করছেন। দেশে থাকতে হবে মমতাকে। দেশে থাকতে গেলে বিরোধিতার নাটক করতে হবে। উনি সেই বিরোধিতার নাটক করছেন। মমতার কোনো রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা-গ্রহণযোগ্যতা কোথাও নেই। এখন ইন্ডি জোটের বৈঠকে চলে গিয়েছেন বলেই তিনি খুব রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন, এটা যারা ভাবছেন তারা ভুল করছেন।’
আরও পড়ুনঃ ‘সামনের লোকসভায় পালানোর সুযোগ পাবেন না!’ শ্রীরামপুরের মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি সন্তু পানের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যারা রয়েছেন তারা বলছেন কংগ্রেসকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চান। একই কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও বলেছেন ।এই প্রসঙ্গে বিকাশ রঞ্জন বললেন, ‘দুদিন আগে কি বলেছিলেন? যারা বলেছিলেন তারা কোথায়? আমাদের দেখে তো ঠাট্টা করে বলতেন আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হবেন, মনে রেখো ! তাঁরা কোথায়?’
অন্যদিকে একই সুর শোনা গিয়েছে তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের গলাতেও। এই প্রসঙ্গেও বাম নেতা এদিন বললেন, ‘হ্যাঁ তো ওইটাই তো। এদের কোনো রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। সুতরাং মমতা কি বলছেন তা নিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ নেই।’
প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলছেন, ‘আমার কোন ইগো নেই। প্রধানমন্ত্রী যদি রাহুল হন আমার কোন অসুবিধা নেই।’ এ প্রসঙ্গেও খোঁচা দিয়েই বাম নেতা বললেন, ‘সে তো এখন বলছেন দুদিন আগে কি বলেছিলেন? যে নেতৃত্ব আমাকেই দিতে হবে। তাই না? এবং পার্লামেন্টে যখন ওদের নেতারা বক্তৃতা করতেন তখন ৩০-টা কথা বললে তার মধ্যে ২৬ টা মমতা-মমতা। এইসব দলের কি রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে!’
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে আগে একাধিকবার মমতা বিরোধী মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। এই বিষয়েও বাম নেতা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ‘কে কি বলছেন তা নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না। আমি আমার কথা বলবো। তাই রাজনৈতিকভাবে তাঁর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন গুরুত্ব নেই বলেই দাবি করেছেন বিকাশ বাবু।’













