কমিশনে ভরসা নেই ! সিসিটিভিতে নজর রাখছে দলের প্রার্থীরাই

Published on:

Published on:

candidates are monitoring CCTV after West Bengal Assembly Election
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্রথম দফার ভোট (West Bengal Assembly Election) শেষ হতেই ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থার পাশাপাশি নিজেরাই এবার সরাসরি নজরদারিতে নামল। তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস
প্রার্থী ও দলীয় কর্মীদের একাংশ নিজেরাই নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব হাতে নিয়েছেন।

ভোটে (West Bengal Assembly Election) স্ট্রংরুমের পাহাড়ায় রাজনৈতিক দলেরা

উল্লেখ্য, ডোমকল গার্লস কলেজের স্ট্রংরুমে, যেখানে তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রশাসনের কঠোর পাহারা থাকলেও অতিরিক্ত সতর্কতায় দলগুলি নিজেদের উদ্যোগে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছে।

জানা‌ যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি, ডোমকল এবং রানিনগর-এই তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রাখা হয়েছে ওই স্ট্রংরুমে। যথারীতি ‌ওই জায়গা, নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। ‌ তবুও প্রার্থীদের একাংশের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তাই আলাদা করে নিজেরাই নজরদারির ব্যবস্থা করেছেন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার তৃণমূল ও কংগ্রেসের প্রার্থী এবং কর্মীরা স্ট্রংরুমের চারপাশে সিসিটিভি বসানোর কাজ শুরু করেছেন। একই সঙ্গে, দলীয় কর্মীরা সেখানে নজরদারির দায়িত্বে থাকছেন। সারাক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে ওই এলাকার আশেপাশে কারা ঘোরাফেরা করছেন। স্ট্রংরুম থেকে কিছুটা দূরে অস্থায়ী ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে নজরদারির স্বার্থে। ওই অস্থায়ী ক্যাম্পে রয়েছে টিভি মনিটর ও নানা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যাতে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়।

এই প্রসঙ্গে, রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থী সৌমিক হোসেন বলেন, “আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না। তাই সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি কর্মীদের পালা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নজরদারির জন্য।” রানিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলির কথায়, “আমাদের পক্ষ থেকেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

candidates are monitoring CCTV after West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন : শান্তি কই? ভোটের আগে উত্তপ্ত গোসাবা, BJP কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগে কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল

অন্যদিকে, ডোমকলের সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, তারা স্ট্রংরুমের আশপাশে সিসিটিভি বসানো এবং কর্মী মোতায়েনের উদ্যোগ নিচ্ছেন। ভোট পরবর্তী সময়ে ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন রাজনৈতিক দলগুলির এই বাড়তি নজরদারি, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।