৫ বছরে ৫,৮৮৬ শতাংশ রিটার্ন! শেয়ার বাজারে রকেটের গতি এই স্টকে, আপনার পোর্টফোলিওতে আছে নাকি?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: শুক্রবার শেয়ার বাজারে (Share Market) দরপতনের আবহেও একটি স্টক সবার নজর কেড়েছে। মূলত, এমআইসি ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের স্টকে জোরালো ক্রয় পরিলক্ষিত হয়েছে। শুক্রবার এই কোম্পানিটির স্টকের দাম ৯ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ১০০ টাকারও কম দামের এই স্টকের প্রচুর চাহিদাও ছিল। শুক্রবার BSE-তে এমআইসি ইলেকট্রনিক্সের স্টক ৫২.৩৫ টাকায় খোলে। সকাল ১০ টা বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ এই কোম্পানিটির স্টকের দাম ৯ শতাংশেরও বেশি বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ ৫৭.৬০ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। তবে, বাজার বন্ধের সময়ে স্টকটির দাম ৪.৮৩ শতাংশের বৃদ্ধির সঙ্গে ৫৫.০৮ টাকায় বন্ধ হয়।

৮ কোটিরও বেশি স্টক (Share Market) কেনাবেচা হয়েছে:

শুক্রবার শেয়ার বাজারে এমআইসি ইলেকট্রনিক্সের ১০ মিলিয়নেরও বেশি স্টক কেনাবেচা হয়েছে। গত সপ্তাহে মাত্র ৪৬ লক্ষ স্টক কেনাবেচা হয়েছিল। অন্যদিকে, গড় মাসিক লেনদেনের পরিমাণ হল ২৩ লক্ষ স্টক।

This stock has given 5,886 percent return in share market in 5 years.

দীর্ঘমেয়াদে এই কোম্পানির স্টক কেমন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে: জানিয়ে রাখি যে, গত সপ্তাহে কোম্পানির  স্টকের দাম ২৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এদিকে, ১ মাসে এমআইসি ইলেকট্রনিক্সের স্টকের দাম ৪৬ শতাংশ বেড়েছে। তা সত্ত্বেও, ১ বছরে স্টকটি মাত্র ২.৭৪ শতাংশ লাভ করেছে। উল্লেখ্য যে, এমআইসি ইলেকট্রনিক্সের শেয়ারের দাম ২ বছরে ১২ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, স্টকটি ৩ বছরে ১৯৫ শতাংশ লাভ করেছে।

আরও পড়ুন: IPL-এ ‘হানি ট্র্যাপ’-এর অ্যালার্ট! খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশিকা জারি করে কী জানাল BCCI?

সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গত ৫ বছরে এই স্টকের দাম ৫,৮৮৬ শতাংশ বেড়েছে। কোম্পানির ৫২-সপ্তাহের সর্বোচ্চ দর ৮২.৮২ টাকা এবং ৫২-সপ্তাহের সর্বনিম্ন দর ৩০ টাকা। এই সংস্থার মার্কেট ক্যাপ ১,৩২৭ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: অবসরের পরেও উপার্জনের রেকর্ড! বিহার-ঝাড়খণ্ডের সর্বোচ্চ করদাতা হলেন ধোনি

কোম্পানিটি শেষ কবে ডিভিডেন্ড প্রদান করেছিল: এমআইসি ইলেকট্রনিক্স সর্বশেষ ২০০৯ সালে বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ড প্রদান করেছিল। সেই সময় কোম্পানিটি স্টক প্রতি ০.৪০ টাকা ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। ২০০৮ সালেও কোম্পানিটি স্টক প্রতি ০.৪০ টাকা ডিভিডেন্ড প্রদান করে। তার আগে, ২০০৭ সালে এই সংস্থা স্টক প্রতি ২ টাকা ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। তবে, পরিসংখ্যান অনুযায়ী কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ড প্রদান করেনি। ২০২৫ অর্থবর্ষের সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিক অনুযায়ী এই কোম্পানিতে প্রোমোটারদের অংশীদারিত্বের পরিমাণ ছিল ৫৮.০১ শতাংশ। পাশাপাশি, পাবলিকের শেয়ারের পরিমাণ ৪১.৯৯ শতাংশ।

সতর্কীকরণ: শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকির। তাই, বিনিয়োগের আগে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ গ্রহণ করুন।