IPL-এ ‘হানি ট্র্যাপ’-এর অ্যালার্ট! খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশিকা জারি করে কী জানাল BCCI?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমানে IPL ২০২৬ নিয়ে মেতে রয়েছেন ভারতের ক্রিকেট অনুরাগীরা। তবে, এই জনপ্রিয় মেগা টুর্নামেন্ট চলাকালীন খেলোয়াড় ও আধিকারিকদের মধ্যে শৃঙ্খলাহীনতার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে এবার কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে BCCI। ইতিমধ্যেই BCCI সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া IPL-এ অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা লিগের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এমতাবস্থায়, একটি নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে সব থেকে বড় সতর্কতাটি রয়েছে ‘হানি ট্র্যাপ’ সংক্রান্ত। বোর্ড দেখেছে যে, কিছু খেলোয়াড় টিম ম্যানেজারের অনুমতি ছাড়াই তাঁদের হোটেল রুমে বহিরাগতদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছিলেন। এদিকে নিয়ম হল যে, ম্যানেজারের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও বহিরাগত, এমনকি আত্মীয়ও, খেলোয়াড়ের রুমে প্রবেশ করতে পারবে না। পাশাপাশি, সাক্ষাৎ অবশ্যই হোটেলের লবি বা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে করতে হবে।

কী জানিয়েছে BCCI:

ভ্যাপিং এবং মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স: সম্প্রতি ম্যাচ চলাকালীন ড্রেসিং রুমে রাজস্থানের অধিনায়ক রিয়ান পরাগের ভ্যাপিংয়ের (ই-সিগারেট ব্যবহার) ঘটনার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে BCCI স্পষ্ট করেছে যে টুর্নামেন্টের ভেন্যু, হোটেল এবং ড্রেসিং রুমে ই-সিগারেট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে ই-সিগারেট ব্যবহার করা কেবল নিয়ম লঙ্ঘনই নয়, বরং, এটি ভারতীয় আইন অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। এমতাবস্থায়, বোর্ড স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনও খেলোয়াড় বা কর্মীকে নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবন করতে দেখা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যানেজমেন্টকে তার প্রত্যেক সদস্যকে এই তথ্য কঠোরভাবে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

What did BCCI say by issuing strict guidelines to players?

মালিকদের জন্যও নো এন্ট্রি জোন নির্ধারণ করা হয়েছে: সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, BCCI দলের মালিকদের জন্যও নতুন নিয়ম চালু করেছে। বোর্ড কয়েকজন মালিকের ক্ষেত্রে ম্যাচ চলাকালীন মাঠে খেলোয়াড়দের আলিঙ্গন করা বা তাঁদের সঙ্গে কথা বলার ঘটনাকে প্রোটোকল লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করেছে। এবার ম্যাচের সময় দলের মালিকরা ড্রেসিংরুম, ডাগআউট বা খেলার মাঠে খেলোয়াড়দের আর আলিঙ্গন করতে অথবা সরাসরি কথা বলতে পারবেন না। মালিকরা শুধুমাত্র অনুমোদিত মাধ্যমেই যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়াও, হোটেল ছাড়ার আগে খেলোয়াড় ও কর্মীদের জন্য নিরাপত্তা আধিকারিকদের (SLO/TIO) কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অবসরের পরেও উপার্জনের রেকর্ড! বিহার-ঝাড়খণ্ডের সর্বোচ্চ করদাতা হলেন ধোনি

নিয়ম না মানলেই গুরুতর পরিণাম: ইতিমধ্যেই BCCI সতর্ক করেছে যে, এই নিয়মগুলি অমান্য করা একটি গুরুতর শৃঙ্খলাজনিত বিষয় হিসাবে বিবেচিত হবে। টিম ম্যানেজারদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত খেলোয়াড়কে বিষয়গুলি সম্পর্কে অবহিত করতে এবং তাঁদের কাছ থেকে লিখিত স্বীকৃতিপত্র সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: PPF থেকে FD! Mother’s Day-তে মাকে দিন এই ফাইনান্সিয়াল গিফটগুলি, ভবিষ্যৎ হবে সুরক্ষিত

এদিকে, এই নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে বোর্ড কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি থেকে শুরু করে মোটা অঙ্কের জরিমানা, চলতি বা পরবর্তী মরশুম থেকে সাময়িক বরখাস্ত সহ আইনি মামলায় পুলিশের কাছে বিষয়টি হস্তান্তর করতে পারে। মাঠের বাইরেও খেলার মর্যাদা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্যও বোর্ড দলগুলির ওপর নজর রাখবে।