‘বিজেপি নয়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার’, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরেই দলের অবস্থান প্রসঙ্গে শমীক

Published on:

Published on:

Shamik Bhattacharya on party's stand after meeting with CM
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দ্রুত প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে শুরু করেছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। সোমবার, সপ্তাহের প্রথম কর্ম দিবসে তাঁর একাধিক পদক্ষেপ স্পষ্ট করে দিল যে নতুন সরকার শুরু থেকেই কড়া প্রশাসনিক বার্তা দিতে চাইছে। দিনের শুরুতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) বাসভবনে যান শুভেন্দু। পরে সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়েও বৈঠক করেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারে থাকা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দ্রুত কার্যকর করার পথ নিয়েই মূল আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকের পর কী বললেন শমীক (Shamik Bhattacharya) ?

বৈঠকের পর শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সরকার সরকারের মতো চলবে, আর দল দলের মতো। এটি কোনও ‘বিজেপি সরকার’ নয়, এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।” পাশাপাশি তিনি জানান, সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণে দল পূর্ণ সহযোগিতা করবে। বিকেল পাঁচটায় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ডিজি, এডিজি-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, ভোটের পরবর্তী পরিস্থিতি, বিভিন্ন জেলায় উত্তেজনা এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েই মূলত আলোচনা হতে পারে। বিজেপির নির্বাচনী স্লোগান ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ বাস্তবে রূপ দিতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে যেভাবে সরব ছিলেন শুভেন্দু, ক্ষমতায় এসে এবার সেই ব্যবস্থাকেই নতুনভাবে সাজানোর চেষ্টা শুরু করেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে বদলির ইঙ্গিত সামনে আসায়, চাপা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

Shamik Bhattacharya on party's stand after meeting with CM

আরও পড়ুন : ‘তোমাদের ঘর ছাড়া..’, মন্ত্রী হয়েই কাকে নিশানা দিলীপের?

আজকের বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষত আরজি কর ও সন্দেশখালির মতো বহুচর্চিত ঘটনাগুলির তদন্তে সরকার কী অবস্থান নেয়, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। দায়িত্ব নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারী বুঝিয়ে দিতে চাইছেন যে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে তাঁর সরকার শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান নেবে।