বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে (Sujit Bose) গ্রেপ্তার করার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ইডির এই পদক্ষেপের পর এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং। শুধু সুজিত বসুই নন, এই তদন্তে আরও বহু প্রভাবশালীর নাম সামনে আসবে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একইসঙ্গে সুজিত বসুর সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা।
সুজিত বসু (Sujit Bose) গ্রেপ্তার ঘিরে বিস্ফোরক দাবি
ব্যারাকপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অর্জুন সিং বলেন, একসময় রোলের দোকান চালাতেন সুজিত বসু (Sujit Bose)। সেখান থেকে কীভাবে তিনি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হলেন, সেই প্রশ্নই এখন উঠছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছেও অজানা নয়। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিমের নামও টেনে আনেন অর্জুন। তাঁর অভিযোগ, “আগুন লাগানোর কাজ করতেন ফিরহাদ হাকিম, আর সেই আগুন নেভানোর দায়িত্বে থাকতেন সুজিত বসু। সেখান থেকে যে টাকা উঠত, তা একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত।”
শুধু এখানেই থামেননি অর্জুন সিং। তিনি আরও দাবি করে বলেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত আরও অনেকে খুব শীঘ্রই তদন্তের আওতায় আসবেন। ৬২টি পুরসভার চেয়ারম্যানের জেলে যাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, “এটা শুধু শুরু। ধাপে ধাপে আরও অনেকে ধরা পড়বে। তদন্ত শেষ পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত পৌঁছবে।”
উল্লেখ্য, সোমবার প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা ধরে ইডির দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সুজিত বসুকে (Sujit Bose)। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ভোটে হার ৩২ লক্ষে, কিন্তু বিচারাধীন ৩৫ লক্ষ নাম! বাংলার ভোট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কল্যাণ
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ৩২৯ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, মৌখিক পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও সুজিত বসুর (Sujit Bose) নির্দেশে নিয়োগ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ।













