বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বহু দিনের বিরতির পর ফের সর্বোচ্চ আদালতে পঞ্চম বেতন কমিশনের মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) সংক্রান্ত মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল ২৭ মে বুধবার। তবে আপাতত শুনানি চার সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পর এই প্রথম ডিএ মামলা শুনানির জন্য ওঠার কথা ছিল সুপ্রিম কোর্টে।
ডিএ মামলার শুনানি পেছনোর সম্ভাবনা সুপ্রিম কোর্টে | Dearness Allowance
সূত্রের খবর, অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড উদ্যম মুখার্জী সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জমা দিয়েছেন। আসলে আগামী ৩০শে মে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কর্মী সংগঠনগুলোর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে কী সিদ্ধান্ত হয় সেদিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভোটের আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে মেটানো হবে বকেয়া ডিএ, আসবে নয়া পে কমিশন। ইতিমধ্যেই সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ডিএ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি রাজ্য সরকার। এই অবস্থায় সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে আগামী ৩০শে মে, রাজ্যের নতুন সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কর্মী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হতে চলা এই বৈঠকে মামলার সঙ্গে যুক্ত চারটি প্রধান সরকারি কর্মচারী সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তালিকায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কনফেডারেশন অফ গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ, ইউনিটি ফোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদ। গত ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা কীভাবে কার্যকর করা যায় তার রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠক বলে শোনা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় কেরলে বড় অভিযান,প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে ইডি হানা
এই অবস্থায় বৈঠকের দিকে তাকিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ২৭শে মে-র শুনানি ২৮ দিন বা চার সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন। আপাতত আগামী ৩০শে মে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ সংক্রান্ত যাবতীয় দাবি-দাওয়া নিয়ে সরকার কী অবস্থান নেয়, তার ওপর ভিত্তি করেই রাজ্য সরকারি কর্মীরা আদালতে পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।













