তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের গেস্ট হাউসে হানা দিয়েই চোখ কপালে! মিলল ভুরি ভুরি কন্ডোম প্যাকেট থেকে বিছানা-বালিশ

Published on:

Published on:

raid on the Trinamool Congress former mla guest house revealed condom packets
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার উখরা সুভাষপল্লিতে প্রাক্তন তৃণমূল (Trinamool Congress) বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর গেস্ট হাউস এবং বিধায়ক কার্যালয়ের একটি গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক সামগ্রী উদ্ধারের দাবি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

তৃণমূল বিধায়ককে (Trinamool Congress) ঘিরে অভিযোগ

তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর বিলাসবহুল গেস্ট হাউসে হানা দেন বিজেপি কর্মীরা। সেখানে গিয়ে তাঁরা বিছানা-বালিশের পাশাপাশি কন্ডোমের প্যাকেট উদ্ধার করেছেন বলে দাবি করেন। এই ঘটনাকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল তরজা এবং স্থানীয় স্তরেও ব্যাপক আলোচনা চলছে।

শুধু গেস্ট হাউসই নয়, প্রাক্তন বিধায়কের অফিস সংলগ্ন গোডাউন থেকেও বিপুল পরিমাণ সরকারি সামগ্রী মজুত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, শতাধিক ত্রিপল, মশারি এবং বিভিন্ন সরকারি জিনিস সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ না করে সেখানে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এলাকার বাসিন্দারা।

নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভে দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অভিযোগ অস্বীকার না করে ব্যাখ্যা দিয়ে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন,”নির্বাচনের কিছু দিন আগেই এই ত্রিপল এসেছিল। তাই সব ত্রিপল বা অন্যান্য জিনিস বিতরণ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। নির্বাচনে জেতার পর এইসব জিনিস বিতরণ করা হত।”

raid on the Trinamool Congress former mla guest house revealed condom packets

আরও পড়ুন : ঘরে বসেই আবেদন করুন অন্নপূর্ণা যোজনায়, জেনে নিন পুরো প্রক্রিয়া

উল্লেখ্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পাণ্ডবেশ্বর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তবে তিনি বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারির কাছে পরাজিত হন। ভোটে হারার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। বর্তমান এই বিতর্কে প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের।