কোনো দুর্নীতি বরদাস্ত নয়! ১০০ দিনের কাজ শুরুর আগেই করা নির্দেশ নারী নবান্নের

Published on:

Published on:

Nabanna Issues Guidelines to district magistrates for transparency in 100 day work
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পালাবদলের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ষোঘণা হয়েছে নবান্নের (Nabanna) তরফ থেকে। একেরপর এক বেআইনি কার্যকলাপ সামনে আসছে। এরই মাঝে মুখ্যমন্ত্রীও মন্তব্য করেছেন, ‘যেখানেই হাত দেওয়া হচ্ছে পচা-দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে দুর্নীতির’। আর এবার জানা যাচ্ছে ১০০ দিনের কাজেও কল্পনাতীত দুর্নীতি করেছে তৃণমূল সরকার। তবে এবার আর তা হবে না। মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারেন্টি স্কিম বা MGNREGS এর মাধ্যমে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত ভাবে ১২৫ দিনের কাজ প্রদান করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

১০০ নয় রাজ্যে চালু হচ্ছে ১২৫ দিনের কাজ VB-G RAM G

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ১ লা জুন থেকেই বিকশিত ভারত গ্যারেন্টি ফর রোজগার অ্যান্ড জীবিকা মিশন গ্রামীণ প্রকল্পের কাজ চালু হবে। যদিও সব রাজ্য নয়, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগণাকে আপাতত বাদ রাখা হয়েছে। এবার এই মর্মে জেলা শাসকদের কেন্দ্রীয় সরকারের বিধি ও আইন মেনে কাজ করার জন্য জানালেন মুখ্যসচিব। কোনো রকম দুর্নীতি গ্রাহ্য করা হবে না বলে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

সম্পত্তি জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়, আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ভুল পরিকল্পনা, অতিরিক্ত কাজের অনুমোদন দেওয়া, ভুল বেতন থেকে সঠিক তথ্য যাচাই না করার দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। এছাড়া কাজ শেষ করতে দেরি কিংবা এমআইএস রিপোর্ট আপডেটে দেরি করলে চলবে না।

আরও পড়ুনঃ পর্যটকদের জন্য সুখবর! ইতিহাস তৈরী করল দার্জিলিংয়ের টয় ট্রেন

এখানেই শেষ নয়, একইসাথে প্রকল্পের মূল্য লক্ষ্য সম্পর্কেও বলা হয়েছে। জেলাশাসকের মতে, এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য উৎপাদনশীল ও স্থিতিশীল সামাজিক সম্পদ তৈরী করা। জল সংরক্ষণ, সেচ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা থেকে শুরু করে বন্যা আটকানোর মত কাজে অর্থ ব্যবহার করতে হবে। একইসাথে কাজের প্রতিটা পর্যায়ে ডিজিটাল নথি রাখতে হবে ও সরকারি অর্থ যাতে অপচয় না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

প্রসঙ্গত, এই প্রকল্প শুরুর আগেই সমস্ত জেলার জব কার্ডধারীদের ডাটাবেস চেকিং করা হবে।  অযোগ্য কেউ যাতে সুবিধা না নিতে পারে তাঁর জন্যই এই কড়া পদক্ষেপ। প্রত্যেকের KYC নিতে হবে। এমনকি কাজ শেষে আঁধার ভিত্তিক পেমেন্টের মাধ্যমে কাজের টাকা সোজাসুজি অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সব কিছু যাতে আইন মেনে সম্পন্ন হয় তার জন্য প্রোগ্রাম অফিসার হিসাবে বিডিওরা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবেন বলেও জানা গিয়েছে।