বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ছিল ১৮%, সোমবার আরও ২০% মহার্ঘ ভাতার (Dearness Allowance) ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য বাজেটে। বিধানসভায় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেন রাজ্য সরকারি ও আধা সরকারি কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ডিএ আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। একধাক্কায় ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণায় খুশি সরকারি কর্মচারীমহল। তবে ২০০৯ সালের রোপা মেনে এখনও বকেয়া ডিএ পড়ে রয়েছে। সেই নিয়ে এবার মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়ালকে ই-মেল শিক্ষকদের (Teachers)।
বকেয়া ডিএ চেয়ে সরকারকে চিঠি | Dearness Allowance
এর আগে এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। মমতা জমানায় মার্চ মাসে অর্থ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছিল, ধাপে ধাপে সেই টাকা মেটানো হবে। সেই মতো ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জমে থাকা বকেয়া ডিএ প্রথম পর্যায়ে মার্চ মাসে মেটানোর কথা বলা হয়েছিল। বাকিটা সেপ্টেম্বর মাসে মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে সেই সময় জানা গিয়েছিল। বর্তমানে সরকার বদলেছে। এবং বকেয়া নিয়ে সেই সমস্ত পরিকল্পনার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি।
সেই সময়ের বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবি নিয়ে এবার মুখ্যসচিবকে ই-মেল শিক্ষকদের। গ্র্যান্ট-ইন-এড (Grant-in-aid) কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দেওয়া নিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ শিক্ষকদের। এই বিষয়ে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট ২০০৯ সালের রোপা মেনে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বকেয়া ডিএ দিতে বলেছিল। বিগত সরকার কর্মচারীদের কিছুটা দিলেও শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা কিছুই পাননি।

আরও পড়ুন: তৃণমূল আমলে ভুয়ো একাউন্টে কোটি কোটি টাকা! কোন প্রকল্পে কত লুট ? ফাঁস করলেন মুখ্যমন্ত্রী
এর আগে সুপ্রিম কোর্টে এ সংক্রান্ত ৬২ পাতার একটি স্টেটাস রিপোর্ট দিয়েছিল বিগত তৃণমূল সরকার। তাতে গ্র্যান্ট-ইন-এড কর্মীদের কথার সেভাবে উল্লেখ না থাকায় সেই সময় জোর বিতর্ক হয়েছিল। উল্লেখ্য, পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, ২০০৯ সালের রোপা অনুসারে ডিএ-র ২৫ শতাংশ ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। সেই বকেয়ার কিছু পাননি শিক্ষকেরা। বাজেটেও সেই সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ নেই। তাই সরকারের কাছে তা মেটানোর দাবি জানানো হয়েছে।













