বাংলাহান্ট ডেস্ক: বনগাঁকাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। তনয় শাস্ত্রীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন বিচারপতি কৌশক চন্দের একক বেঞ্চে মামলা উঠলে বিচারপতির নির্দেশ, আপাতত অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নয়।
আপাতত স্বস্তিতে মিমি চক্রবর্তী | Mimi Chakraborty
বনগাঁর একটি সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মিমি চক্রবর্তী ও তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে বিবাদ। সেই জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। জানুয়ারি মাসের শেষে বনগাঁর এক সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই যাবতীয় বিতর্ক গড়ায় আদালত অবদি। সেদিনের অনুষ্ঠানে শেষ অতিথি হিসেবে নাম ছিল মিমির। আর অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিলেন তনয় শাস্ত্রী।
তনয় শাস্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তি মতো নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মিমির। কিন্তু তিনি সময়ের পরে এসে পৌঁছান। ফলত তিনি মঞ্চে ওঠার পরপরই প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনেই অনুষ্ঠান শেষ করতে বাধ্য হন উদ্যোক্তারা। এদিকে অভিনেত্রী অভিযোগ তোলেন, অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। অভিযোগ তোলেন তনয়ের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের।
সেই অভিযোগকে সামনে রেখেই তনয়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি। গ্রেফতার হন উদ্যোক্তা। পরে জামিনে মুক্ত হন। মিমির (Mimi Chakraborty) তরফে তনয়কে ২ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এদিকে জবাবে তনয় শাস্ত্রীর পক্ষ থেকেও নেওয়া হয় আইনি পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন: প্রবল দুর্যোগের সতর্কতা জারি! বৃহস্পতিতে দক্ষিণবঙ্গের কোথায় কোথায় ঝড়-বৃষ্টি? আগাম আপডেট
২ মার্চ বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করেন অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রী। অভিযোগ ছিল, মিমি নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠানে না এসেও ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। মানহানি মামলায় ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে হয়। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের হয়।













